তরুণ তুর্কিরা হতাশ করেছে। কিন্তু পুরনো যোদ্ধা মুস্তাফিজুর রহমানের হাত ধরেই কেটেছে বামেদের শূন্যের গেরো। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর এই জয়ে উচ্ছ্বসিত বাম নেতৃত্ব-কর্মী-সমর্থক। কিন্তু ফলাফল স্পষ্ট হতেই অভিভাবকের ভূমিকায় মুস্তাফিজুর। ডোমকলের কর্মীর উদ্দেশে তার সাফ বার্তা, তিনি সকল দলের সমর্থকদের বিধায়ক। তাই দলের কর্মীরা এমন কিছু যেন না করেন যাতে কারও ক্ষতি হয়।
বঙ্গ জুড়ে গেরুয়া ঝড়। তৃণমূল কার্যত ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে গিয়েছে। সোমবার রাত বাড়তেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অশান্তির খবর প্রকাশ্যে এসেছে। কোথাও তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। কোথাও পার্টি অফিস দখল করা হয়েছে। ডোমকলের ছবিটা একটু আলাদা। দীর্ঘদিন পর নিজেদের গড় ফেরাতে পেরেছে বামেরা। স্বাভাবিকভাবেই এলাকার বাম-কর্মীদের মধ্যে উদ্দীপনার শেষ নেই। লাল আবিরে মেতে উঠেছেন সকলে।
এসবের মাঝেই সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে ডোমকলের বিধায়ক মুস্তাফিজুর রহমানের (রানা) একটি ভিডিও। সেখানে দেখা যাচ্ছে, তাঁকে ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের প্রবল উচ্ছ্বাস। সেখানে পেশায় শিক্ষক রানা ঠিক অভিভাবকের মতো কর্মীদের বোঝালেন, তাঁরা কী করবেন আর কী করবেন না। বললেন, “আমি যে রানা ছিলাম সেই রানাই আছি। শুধু দায়িত্ব বেড়েছে। অতিরিক্ত মাতামাতির দরকার নেই। বিধায়ক মানে ডোমকলের সকলের বিধায়ক আমি। শুধু সিপিএম নয়, তৃণমূল-বিজেপি কংগ্রেস সকলের বিধায়ক আমি। সেই মতোই যেন আপনাদের আচরণ হয় যদি আমায় ভালবেসে থাকেন। আর না ভালবাসলে ওই তাণ্ডব করবেন। আর মুখ শুনতে হবে আমায়।” চারপাশে অশান্তির মাঝে মুস্তাফিজুরের এই ভিডিও নজির।