শক্তিপীঠের মধ্যে একটি কঙ্কালীতলা মন্দির। বীরভূমের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী স্থান একটি। আর সেখানেই হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছাড়া কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে। বঙ্গজয়ের পরেই মন্দিরে চত্বরে এমনই নির্দেশ দিয়ে একটি হোডিং ঝুলিয়ে দিয়েছে বিজেপি। নেতৃত্বের দাবি, মন্দিরের পুরোহিতদের সঙ্গে কথা বলেই এই হোডিং দেওয়া হয়েছে। ওই হোডিংয়ে লেখা, ‘জয় মা কঙ্কালী। হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষ ব্যতীত বিধর্মীদের মন্দিরে প্রবেশ কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ।’ ভোট ফলাফল মিটতেই এহেন পদক্ষেপ ঘিরে শুরু হয়েছে চর্চা। শুধু তাই নয়, ক্ষমতায় আসতেই ‘বিভাজনের রাজনীতি’ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের।
২০০-র বেশি আসন পেয়ে বাংলার মসনদে বিজেপি। রাজ্যজুড়ে উচ্ছ্বাস। এরমধ্যেই আজ মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় বিজেপির বেশ কয়েকজন কঙ্কালীতলায় যান। সবার হাতে ছিল গেরুয়া পতাকা। শুধু তাই নয়, কারো কারো হাতে দুধ এবং গঙ্গাজলও ছিল। বিজেপি কর্মীদের দাবি, মন্দিরের পবিত্রতা রক্ষা করতে এহেন উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। শুধু তাই নয়, ধর্মীয় মর্যাদা অটুট রক্ষা করতেই এহেন পদক্ষেপ বলেও দাবি বিজেপি নেতার। এদিকে মন্দির ট্রাস্টের অর্থ নিয়েও নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন সেবাইতের একাংশ। শুধু তাই নয়, মন্দির পরিচালন করতে কি কি বাধা পেতে হয়েছে তা নিয়েও সুর চড়ান। এরপরেই বিষয়টি শুভেন্দু অধিকারীকে জানানো হবে বলে আশ্বাস দেন বিজেপি নেতাকর্মীরা।
এরপরেই পুরোহিতদের সঙ্গে কথা বলে ওই বিজেপি নেতারা বলেন, পুরোহিতদের সঙ্গে কথা হয়েছে। এখন থেকে মন্দিরে কোনও বিধর্মী মানুষ প্রবেশ কিংবা পুজো দিতে পারবেন না। এরপরেই মন্দিরে ঝোলানো হয় এহেন নির্দেশিকা লেখা হোডিং। অন্যদিকে আগামিদিনে মন্দিরে পরিচালনায় একাধিক রদবদলের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এক বিজেপি নেতা বলেন, আগামিদিনে মন্দির পরিচালনায় কড়া নিয়ম মেনে চলা হবে। বিশেষ করে গর্ভগৃহে ঢোকার বিষয়েও কড়া পদক্ষেপ করা হবে।