অতি সাধারণ পরিবার থেকে তাঁর উঠে আসা। ২০২১ সালের নির্বাচনে জিতে বিধায়ক হয়েও তাঁর জীবন পাল্টায়নি। ২০২৬-এর নির্বাচনেও ফের জয়ী হয়েছেন তিনি, তারপরে নিজেকে আলাদা করে দেখতে রাজি নন শালতোড়া থেকে জেতা দ্বিতীয়বারের বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউরি। এখনও সকালে তাঁর প্রিয় খাবার মাড়ভাত আর আলুসেদ্ধ।
সোমবার জয়ের পরে তাঁর বাড়িতে ভিড় লেগেই রয়েছে। মঙ্গলবার সকালেও এসেছিলেন দলের কর্মী-সমর্থকেরা। তারপরে একটু ফাঁকা হয়ে খেতে বসেছেন তিনি। তখনই এই সময়ের সঙ্গে কথা বলতে বলতে তিনি বললেন, ‘মাড়ভাত ছাড়া পেট ভরে না। সকালে আমরা মাড়ভাতই খাই... মুড়ি খাই না। কারও বাড়িতে গেলে খাই।’
বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটি ব্লকের কেলাই গ্রামের অত্যন্ত সাধারণ পরিবারের বধূ চন্দনা বাউরি। পেশায় রাজমিস্ত্রি তাঁর স্বামী শাবণ বাউরি। তাঁর সঙ্গে জোগাড়ের কাজ করতেন চন্দনা। কম বয়স থেকেই বিজেপির আদর্শে অনুপ্রাণিত। সহজ সরল জীবনে অভ্যস্ত সাধারণ পরিবারের বধূ চন্দনাকে ২০২১ সালে শালতোড়া বিধানসভায় প্রার্থী করে বিজেপি। সেবার তৃণমূলের বিপুল ঝড়েও চন্দনা বাউরি জিতে বিধায়ক হয়েছিলেন। এ বারও দল তাঁর উপর ভরসা রেখেছিল। দলীয় নেতৃত্বের সেই ভরসার মান রক্ষা করেছেন চন্দনা। মঙ্গলবার তিনি বললেন, ‘পার্টি না চাইতে অনেককিছু দিয়েছে। ছোট গ্রাম থেকে তুলে বিধায়ক বানিয়েছে। পার্টি যেটা বলবে সেটাই করব।’
ভোটের আগে দেওয়া নিজের প্রতিশ্রুতি ভুলবেন না বলেও জানিয়েছেন চন্দনা। দামোদর নদের উপর পাকা সেতু নির্মাণ থেকে শালতোড়া বিধানসভার প্রতিটি মানুষের বাড়িতে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। তাঁর আশ্বাস, ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের প্রতিশ্রুতি পূরণ হবে। আবাস, জলের কাজ হবে। প্রতিটি পাথর খাদান সরকারি নিয়ম অনুযায়ী চালানো হবে।’