• ১৩ বছর পর বারুইপুরে কার্যালয় ‘পুনরুদ্ধার’ সিপিএমের, লাল ঝান্ডা উড়িয়ে নেতৃত্ব বললেন, অবশেষে!
    আনন্দবাজার | ০৬ মে ২০২৬
  • রাজ্য বিধানসভায় শূন্য থেকে এক হয়েছে সিপিএম। ফলঘোষণার একদিনের মধ্যে পুরনো দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করল তারা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভা এলাকায় প্রায় ১৩ বছর পর নিজেদের কার্যালয়ে ঢুকে চেয়ারে বসলেন নেতারা। তাঁদের দাবি, ক্ষমতা হারানোর পর দখল করা কার্যালয়ে তৃণমূলের আর কেউ ঢোকেননি। স্থানীয় মানুষজনের সমর্থনে নিজেদের কার্যালয়ে প্রবেশ করলেন।

    ভোটের ফল বার হওয়ার পরে বিক্ষিপ্ত অশান্তি শুরু হয়েছে রাজ্যে। বিভিন্ন জায়গায় সদ্য ক্ষমতা হারানো তৃণমূলের কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠছে বিজেপির বিরুদ্ধে। কয়েকটি জায়গায় একই অভিযোগ করছে সিপিএম-ও। মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে লেনিনের মূর্তি ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে খানিক ব্যতিক্রমী দৃশ্য দেখা গেল বারুইপুরের কাছারি বাজারে। ১৯৮৩ সালে তৈরি হওয়া পার্টি অফিসে ১৩ বছর পর উড়ল লাল ঝান্ডা।

    স্থানীয় সিপিএম নেতৃত্বের দাবি, ২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের দু’বছরের মধ্যে তৃণমূল তাঁদের কার্যালয় দখল করেছিল। টানা ১৩ বছর তাদেরই দখলে ছিল ওই কার্যালয়। সোমবার আবার রাজ্যে পালাবদল হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে পুরনো পার্টি অফিস পুনরুদ্ধার করেছে সিপিএম। এ বার বারুইপুর পশ্চিমের সিপিএম প্রার্থী ছিলেন লায়েগ আলি। তিনি বলেন, “আমরা দখলের রাজনীতি করি না। এটা আমাদেরই পুরনো পার্টি অফিস। তৃণমূল জোর করে দখল করেছিল। আমরা শুধু সেটা ফিরিয়ে নিয়েছি।”

    লায়েগ জানিয়েছেন, অফিসে তৃণমূলের কাগজপত্র, পতাকা, ব্যানার ইত্যাদি ছিল। সেগুলো তাঁরা নষ্ট করেননি। আলাদা জায়গায় গুছিয়ে রেখে দিয়েছেন। তৃণমূল নেতাদের নিয়ে যেতে বলা হয়েছে। তাঁর কথায়, ‘‘ওঁদের ফোন করে জিনিসগুলো নিয়ে যেতে বলা হয়েছিল। কিন্তু কেউ আসেননি। আমরা নিজেদের ব্যানার লাগিয়ে দিয়েছি পার্টি অফিসে। এখান থেকেই আবার দলের কাজ শুরু হবে।”

    অন্য দিকে, ওই জেলারই বারুইপুর, সোনারপুর ও কুলতলির একাধিক এলাকায় তৃণমূলের কার্যালয় দখল করে বিজেপির পতাকা লাগানোর অভিযোগ উঠেছে। কোথাও কোথাও ভাঙচুরের ঘটনাও সামনে এসেছে।
  • Link to this news (আনন্দবাজার)