নয়াদিল্লি: রাঘব চাড্ডা সহ ৭ সাংসদের দলবদল অসাংবিধানিক! শুরু থেকেই এই অভিযোগ করে এসেছে আম আদমি পার্টি। প্রথমে স্পিকারের কাছে দলবদলু নেতাদের সাংসদ পদ খারিজের দাবিতে আবেদন জানিয়েছিল আপ। তাতে কাজ হয়নি। এবার রাষ্ট্রপতির দরবারে পৌঁছল নালিশ। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দলের ৯০ জন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত সিং মান। অন্যদিকে, রাঘব চাড্ডাও এদিনই দেখা করেছেন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে। জানা গিয়েছে, রাষ্ট্রপতির কাছে দুই পক্ষ একই ইস্যুর সম্পূর্ণ ভিন্ন বর্ণনা করে একে অপরের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগ তুলেছে।
এদিন, পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে রাঘব সহ দলবদলু সাংসদদের সদস্যপদ বাতিলের দাবি জানান। তিনি বলেন, তাঁদের বিজেপিতে যোগ দেওয়া অসাংবিধানিক এবং গণতান্ত্রিক বিধির উপর সরাসরি আঘাত। মান উল্লেখ করেন পাঞ্জাবে বিজেপির মাত্র দুটি বিধায়ক আসন রয়েছে, অথচ রাজ্যসভায় তাদের ছজন সাংসদ। তাঁরা প্রশ্ন তোলেন, ‘এটা কি সংবিধানের উপহাস নয়? পাশাপাশি দলবদলু সাংসদদের চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যদি তারা মনেপ্রাণে এতই বিপ্লবী হন, তাহলে তাদের আসন থেকে পদত্যাগ করা উচিত ছিল। সেখানে অন্য কাউকে পাঠাতে পারত আপ।’ এরপরই ৯০ বিধায়কের স্বাক্ষর সহ একটি স্মারকলিপি জমা দেন রাষ্ট্রপতিকে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে রাঘব চাড্ডা, সন্দীপ পাঠকসহ দলবদলু সাংসদরাও রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের অভিযোগ ছিল, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কারণে পাঞ্জাব সরকার তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসার রাজনীতি চালাচ্ছে। চাড্ডার দাবি, প্রশাসনকে ব্যবহার করে তাঁদের ভয় দেখানো হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, দলবদলের পর হরভজন সিংয়ের বাড়ির বাইরে গদ্দার লেখা হয়। অশোক কুমার মিত্তলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সন্দীপ পাঠকের বিরুদ্ধে আইনি পদপক্ষেপের কথাও তোলেন চাড্ডা। তাঁর দাবি, ‘আমরা আমাদের সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করেছি। এখন তার জন্য আমাদের শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।’