• ‘প্রতি ৬ জনের একজন ঘুসপেটিয়া’, বিজেপির বঙ্গ জয়ের পর আইনসভায় ‘অনুপ্রবেশকারী’ দেখছেন রাহুল
    প্রতিদিন | ০৬ মে ২০২৬
  • বিজেপির বঙ্গ জয়ের পর গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে ফের ভোট চুরির অভিযোগে সরব কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। ‘বাংলায় ভোটচুরি হয়েছে’, বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুরে সুর মিলিয়ে লোকসভার বিরোধী দলনেতার দাবি, লোকসভায় বিজেপির প্রতি ৬ জনের একজন সাংসদ ভোটচুরি করে জিতেছেন। এবং হরিয়ানাকে বিজেপির ভোটচুরির আঁতুড়ঘর বলে কটাক্ষ করেন তিনি।

    বুধবার সোশাল মিডিয়ায় মোদি সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে একহাত নিয়ে সরব হন রাহুল। লেখেন, ‘ভোটচুরির মাধ্যমে কখনও আসন হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে তো কখনও গোটা সরকার। লোকসভায় বর্তমানে বিজেপির ২৪০ জন সাংসদ রয়েছেন। কিন্তু এদের প্রতি ৬ জনের একজন সাংসদ ভোটচুরি করে এখানে এসেছেন। এদের চিহ্নিত করাও কঠিন নয়। তাহলে কি বিজেপির ভাষায় এদের ঘুসপেটিয়া (অনুপ্রবেশকারী) বলব? এবং অবশ্যই হরিয়ানা। এখানে তো গোটা সরকারই অনুপ্রবেশকারী।’

    রাহুলের আরও অভিযোগ, ভোটার তালিকা থেকে নির্বাচনী প্রক্রিয়া পরিচালনার সঙ্গে জড়িত সমস্ত প্রতিষ্ঠানে মোদি সরকারের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। বলেন, ‘এরা সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে কুক্ষিগত করে রাখে। এবং এই প্রতিষ্ঠানগুলিকে দিয়ে ভোটার তালিকা ও নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কারচুপি করে।’ রাহুলের তোপ, ‘বিজেপি সত্যকে ভয় পায়। সঠিকভাবে নির্বাচন হলে এই দলটি ১৪০টি আসনও জিততে পারত না।’

    উল্লেখ্য, গত সোমবার বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ্যে আসার পর রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছিলেন, অসম ও পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে ভোটচুরি হয়েছে। রাহুলের কথায়, “আমরা মমতাদির সঙ্গে একমত অসম ও বাংলায় নির্বাচন কমিশনের মদতে বিজেপি ভোটচুরি করেছে। বাংলায় ১০০টির বেশি আসন চুরি হয়েছে। মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও একই প্রবণতা দেখা গিয়েছিল।”
  • Link to this news (প্রতিদিন)