• রবীন্দ্রজয়ন্তীতেই ব্রিগেড ময়দানে নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ, থাকবেন মোদি-শাহ
    প্রতিদিন | ০৬ মে ২০২৬
  • অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত দিনেই পড়ল সিলমোহর। শনিবারেই হতে চলেছে বিজেপির নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ। বাংলার রাজনৈতিক ক্ষমতা হস্তান্তরের পর আনুষ্ঠানিকভাবে শনিবার থেকেই রাজ্যের যাবতীয় সাংবিধানিক দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেবে নতুন সরকার। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন খোদ প্রধানমন্ত্রী। বিজেপি কেন্দ্রীয় হেভিওয়েটদের উপস্থিতিতেই ‘ভরসার-বাংলা’ গড়ার শপথ নেবেন নতুন মন্ত্রীরা।

    ভোটের ফল প্রকাশের সন্ধেয় দিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তর থেকে রবীন্দ্রজয়ন্তীতে বাংলায় মন্ত্রিসভার শপথের দিন হিসেবে ঘোষণা করে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারপরেও শপথগ্রহণের দিন চূড়ান্ত হওয়া নিয়ে জল্পনা ছিল। শনিবারের বদলে রবিবারও হতে পারে নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ, তেমনটাও কানাঘুষো চলছিল বিজেপির অন্দরে। অবশেষে সব জল্পনা কাটিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কথা মতোই শনিবার রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীতেই বাংলায় প্রথমবার সরকার গঠনের শপথগ্রহণ করবে ভারতীয় জনতা পার্টি। সকাল ১০টায় ব্রিগেডে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হতে চলেছে। 

    বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানান, শুক্রবার অর্থাৎ ৮ মে বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির নব নির্বাচিত বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক। ঠিক তার পরের দিন ৯ মে রবীন্দ্রজয়ন্তীতে ব্রিগেডে অনুষ্ঠিত হবে শপথঅনুষ্ঠান। উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বারষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা, বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীন। এছাড়াও থাকবেন বিজেপি শাসিত ২০ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সহ বহু বিজেপি সাংসদরাও। সূত্রের খবর, আগামিকালই রাজ্যে আসতে পারেন অমিত শাহ। বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে থাকতে পারেন তিনি। সূত্রের খবর, বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন? তার বাছাইয়ের দায়িত্বও শাহকেই দিয়েছে বিজেপি।

    প্রসঙ্গত, বঙ্গে নির্বাচনী প্রচারের শেষলগ্নে বারাকপুরে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি করেছিলেন, ‘৪ মে-র পরে বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমাকে এ রাজ্যে আসতেই হচ্ছে।’ একইরকমভাবে বাংলায় নির্বাচনী প্রচারে এসে শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা বলে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। দীর্ঘ চড়াই-উতরাই কাটিয়ে বর্তমানে বাংলার মসনদে এখন বিজেপির রাজ। কে হবেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী? তা নিয়েও বঙ্গ রাজনীতির অন্দরে কৌতুহল কম নেই। দৌড়ে যাঁরাই এগিয়ে থাকুন না কেন, শেষ মুহূর্তের জন্য চমক এখনও জিইয়ে রেখেছে গেরুয়াশিবির। তাহলে কি মোদির হাত ধরেই ব্রিগেডের ময়দানে চমকপ্রদ মুহুর্তের সাক্ষী থাকবে গোটা বাংলা? 
  • Link to this news (প্রতিদিন)