মঙ্গলবার বিকেলে কালীঘাটে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির গলি থেকে ‘সিজার্স ব্যারিকেড’ তুলে নেওয়া হয়েছিল। অন্য দিকে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের দপ্তরের সামনে থেকেও পুলিশি প্রহরা তুলে নেওয়া হয়েছিল। বুধবার হরিশ মুখার্জি রোডে ২৩ পল্লী দুর্গা মণ্ডপের বিপরীতে শান্তিনিকেতন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন থেকে বের করে নেওয়া হয় অত্যাধুনিক স্ক্যানার। বিগত সরকারের আমলে পুলিশের তরফেই এই স্ক্যানার মেশিন বসানো হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। সঙ্গে অতিরিক্ত রক্ষীও সরিয়ে নেওয়া হয়। অন্য দিকে, কালীঘাটে মমতার বাড়ির সামনে থেকেও এ দিন চলে যান পুলিশ কর্মীরা। উল্লেখ্য, দু’জনই জেড প্লাস ক্যাটিগরির নিরাপত্তা পান।
বুধবার বিকেলে কালীঘাটে তৃণমূল কংগ্রেসের জয়ী প্রার্থীদের নিয়ে বৈঠক করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে কী ভাবে কাজ করবে তৃণমূল, সেই বিষয়ে আলোচনা করতেই এই বৈঠক বলে তৃণমূল সূত্রে খবর। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে এখনও ইস্তফা দেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার একটি সাংবাদিক বৈঠকে মমতা জানিয়েছিলেন, তৃণমূলকে ‘অনৈতিক’ ভাবে হারানো হয়েছে। তবে এ দিন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, এ বিষয়ে কমিশনের তরফে কিছু বলার নেই।