• ‘উল্টো ফল হলে এতক্ষণে বিজেপির...’, নবান্ন থেকে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে কী বার্তা শমীকের?
    এই সময় | ০৬ মে ২০২৬
  • কড়া হাতে ভোট পরবর্তী হিংসা দমনের বার্তা দিলেন। আবার হিংসা থেকে বিজেপির দূরত্বও তৈরি করলেন। কিছুটা দায় ঠেললেন তৃণমূলের দিকেও। বুধবার নবান্নে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সাংবাদিক সম্মেলনের নির্যাস এটাই। তাঁর সাফ কথা, ‘বিজেপির তৃণমূলীকরণ হবে না।’ একই সঙ্গে অশান্তির জন্য তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বকেও কাঠগড়ায় তুলেছেন তিনি।

    এ দিন দুপুরে নবান্নে পৌঁছন শমীক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সৌমিত্র খাঁ-ও। মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালার সঙ্গে বৈঠক করেন তাঁরা। তার পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। শমীক বলেন, ‘আমরা ভোটে জিতেছি। কিন্তু আমাদের ২ জন কর্মী শহিদ হয়েছেন।’

    গত ৪ মে ফলপ্রকাশের পর থেকেই অশান্তি শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ। আসানসোল, বর্ধমান, হুগলি, এমনকী খোদ কলকাতা থেকেও তৃণমূল কর্মীদের মারধর, তাঁদের পার্টি অফিস দখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কয়েকটি এলাকায় বিজেপি কর্মীদেরও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই নিয়ে তৃণমূলকেও নিশানা করেন শমীক। তাঁর স্পষ্ট কথা, ‘ফল উল্টো হলে, এতক্ষণে আমাদের ২০০ কর্মী খুন হয়ে যেতেন।’

    অশান্তির জন্য তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বকেই দায়ী করেছেন তিনি। শমীকের কথায়, ‘তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণে অনেকে পতাকা হাতে, মাথায় গেরুয়া আবির মেখে তৃণমূলের অফিস দখল করছে।’ বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘পঞ্চায়েত, পুরসভা, পার্টি অফিস দখল চলবে না। সোজা বের করে দেব।’ মুখ্যসচিব এবং ডিজিকে তিনি কঠোর হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে বলেছেন বলেও জানিয়েছেন শমীক।

    বিজেপির জয়কে ‘সাধারণ মানুষের জয়’ আখ্যা দিয়ে শমীক বলেন, ‘এটা শুধু আমাদের সংগঠনের নয়, সাধারণ মানুষের জয়। বাংলার মানুষ একটা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছেন।’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘ভয় আউট, ভরসা ইন’ স্লোগানের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলে দেন, ‘এই জিনিস আমরা বরদাস্ত করব না।’

  • Link to this news (এই সময়)