রুদ্রনীল বলেন, " রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কোন জায়গায় যেতে পারে, এই ঘটনা প্রমাণ করে দেয়, যদি কোনওভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল জিতত, তাহলে এই ঘটনা প্রতি বাড়িতে, প্রতি পাড়ায়, প্রতি গলিতে গলিতে ঘটত, যেখানে শুধুমাত্র বিজেপির লোক নয়, এই শাসনব্যবস্থার নামে যে শোষণব্যবস্থা ছিল তাতে যাঁরা অতিষ্ঠ ছিলেন তাঁদেরকেও হয়তো, এভাবেই গুলি করে হত্যা করা হত,কেটে কুচানো হত।"
"চন্দ্রনাথ রথ অত্যন্ত ভদ্র একজন মানুষ, বিজেপির উপর রাগ, নির্বাচনে হেরে যাওয়ার জন্য শুভেন্দু অধিকারীর উপর রাগ, সেই রাগ ব্যক্ত করল চন্দ্রনাথ রথের উপর হেরে যাওয়া তৃণমূল৷ এরা কেবল ভয়াবহ নয়, এরা কোন পর্যায়ে চলে গিয়েছিল, এটা পরিকল্পিত খুন। "
রুদ্রনীল আরও বলেন, "যতদূর জানতে পারছি পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জে গুলি করা হয়েছে৷ এদের চরিত্র কী, ধন্যবাদ পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে যাঁরা বুঝতে পেরে নিজের বিপদ, এই মাটির বিপদ, এই দেশের বিপদ বুঝতে পেরে এদের সমূলে উৎপাটিত করেছে৷ চন্দ্রনাথ রথের মতো সভ্য ভদ্র অনুগত মানুষ, যাঁকে সকলে চেনেন, যিনি কখনও দায়িত্ব ছাড়া অন্য কোনও বিষয় একটা শব্দও বলতেন না৷ এটা মেনে নেওয়া যায় না। কী বলব আর, শুভেন্দুদা যখন ব্যস্ত থাকতেন, কথা হত না, সারাক্ষণ চন্দ্র যোগাযোগ রাখত। দাদা এইটা তোমাকে বলল, তুমি ওই জনসভায় চলে যাও, পুরোটাই দেখত ভাই হিসাবে৷ এই বীভৎস ঘটনা নিয়ে বলবার ভাষা নেই৷ পশ্চিমবঙ্গের মানুষ যে কী ভীষণ সতর্ক হয়ে গিয়েছিল, তা আর বলবার অপেক্ষা রাখে না৷"
এই ঘটনা আনফরচুনেট বলে জানান রুদ্রনীল৷ ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন রুদ্রনীল৷ রুদ্রনীল বলেন,"এখন যাব ওখানেই৷ গলিতে গলিতে বোম বন্দুক গুলি, পুলিশকে দিয়ে তারা তৈরি করাবার জন্য কারখানাগুলো মজুত রেখে দিয়েছিল৷ বাচ্চাগুলো খেলতে গিয়ে বোমায় উড়ে যাচ্ছে এই ঘটনা নতুন নয়৷ তারপরেও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর মুখ থেকে একটা শব্দও বার হয়নি৷ কোনও পদক্ষেপ করেননি৷ উল্টে বোম বানিয়ে বিস্ফোরণে মৃতকে নিয়ে বলা হয়েছিল বাজি তৈরির কারখানা৷ এতবছর ধরে বুড়িমা চকলেট বোম তৈরি হয়, কোন বাজিতে উড়ে গিয়ে পাশের পাড়ার বাঁশগাছে দেহ উদ্ধার হয় মানুষের, তা আমরা সকলে জানি৷ এটাই বলব চরম দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা৷ কিন্তু নির্বাচন কমিশন কড়া না হলে এরা যদি চুরি জোচ্চুরি করে ভুয়োভোট, মৃতভোট, বাংলাদেশিদের ভোটে জিতে এরা পশ্চিমবঙ্গের মানুষ যাঁরা সত্যি বলতেন তাঁদের চন্দ্রনাথ বানাত। এদের একেবারে উৎপাটন করা উচিত৷ এরা মানুষরূপী পশু৷ এদের ধরে ধরে আইনের হাতে তুলে দেওয়া উচিত৷"