ভেঙে দেওয়া হয়েছে পাইপ লাইনের কলের মুখ। ফলে সমস্যায় পড়েছেন মুর্শিদাবাদের কান্দি পুরসভার বাসিন্দারা। তবে সমস্ত এলাকায় পাইপ লাইনের কলের মুখ খুলে নেওয়া বা ভেঙে দেওয়া হয়নি। যে সমস্ত ওয়ার্ডে বিজেপি এগিয়ে আছে সেখানেই এই ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ায় মানুষকে সমস্যায় ফেলতেই এই কাজ করা হয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির।
চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনে কান্দি (Kandi) আসন তৃণমূল কংগ্রেসের হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি। এই আসনে জয়লাভ করেছেন বিজেপি (BJP) প্রার্থী গার্গী দাস ঘোষ। তার পরেই এই ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূল প্রার্থী তথা কান্দির ভূমিপুত্র অপূর্ব সরকারকে ভোট না দেওয়ার কারণে পানীয় জলের কল ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্রসঙ্গত, কান্দি পুরসভার ১৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১, ১৩ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে এগিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। ১২ নম্বর ওয়ার্ডে কংগ্রেস এগিয়েছিল। বাকি ১৪টি ওয়ার্ডেই এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী।
কান্দি বিধানসভার বিজেপি-র আহ্বায়ক রাজেশ কুমার দাসের দাবি, যে সমস্ত এলাকায় মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন, সেই সব এলাকায় রাতের অন্ধকারে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা পাইপ লাইনের কলের মুখ খুলে নিয়ে গিয়েছে। কোথাও তা ভেঙে ফেলা হয়েছে।
এই পুরসভার ৪,৮, ১২ এবং ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের পানীয় জলের কল খুলে নেওয়া ও ভেঙে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। এখন এর ফলে সমস্যার মধ্যে পড়েছেন ওই এলাকার বাসিন্দারা।
এই নিয়ে এলাকার লোকজন পুরসভার চেয়ারম্যানের কৈফিয়ত চাইতে যাচ্ছিলেন। তবে তাঁদের সেখানে না যাওয়ার অনুরোধ করেন পুলিশ আধিকারিকরা। তাঁদের কথা মেনে নিয়েছেন এলাকার লোকজন। এই সমস্যার সমাধান করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তাঁরা। যারা ওই কাজ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানিয়েছেন কান্দি থানার পুলিশ আধিকারিক।
বিজেপি নেতারা জানিয়েছেন, তাঁরা এলাকায় কোনও রকম অশান্তি চাইছেন না। তবে পানীয় জলের সমাধান না হলে ‘শেষ দেখে ছাড়া হবে’ বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।
কান্দির চেয়ারম্যান তৃণমূলের জয়দেব ঘটককে ফোন করা হলে তিনি কেটে দেন। হোয়াটস্যাপ-এও কোনও উত্তর দেননি তিনি।