আগে থেকে পরিকল্পনা করে তাঁর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে খুন করা হয়েছে। ঠান্ডা মাথায় এই কাজ করা হয়েছে। বুধবার মধ্যমগ্রামের হাসপাতালে পৌঁছে এমনই দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, ঠান্ডা মাথায় পূর্ব পরিকল্পনাভাবে চন্দ্রনাথকে খুন করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের বিজেপি কর্মী সমর্থকদের কাছে তিনি আবেদন করেছেন, কেউ যেন আইন নিজেদের হাতে তুলে না নেন।
শুভেন্দু জানান, চন্দ্রনাথকে খুনের সঙ্গে রাজনীতির যোগ থাকতে পারে। তবে এখনই নিশ্চিতভাবে তা বলতে চাননি শুভেন্দু। পুলিশের তদন্তের উপরেই ভরসা রেখেছেন তিনি। তিনি জানান, গত দুই তিন ধরে রেইকি করে খুনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার সঠিক তদন্ত করবে। এবিষয়ে তাঁর সঙ্গে রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্তার কথা হয়েছে। দলের কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশে শান্তি বজায় রাখার বার্তা দেন শুভেন্দু। তিনি আরও জানান, এদিনই খড়দহ, বরাহনগর ও বসিরহাটে আক্রান্ত হয়েছেন দলের কর্মী সমর্থকরা। ২-৩ দিনের মধ্যে দায়িত্ব নেবে বিজেপি সরকার। আর জি করের ঘটনার মতো যাতে কোনও ঘটনা বিচারহীন না থাকে তার ব্যবস্থা করা হবে। মৃতের পরিবার ও আহতদের চিকিৎসার সমস্ত দায়িত্ব বিজেপি নেবে বলে জানান শুভেন্দু।
উল্লেখ্য, বিজেপি সরকারের শপথ গ্রহণের দুদিন আগে বুধবার মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে পর পর গুলি করে খুন করা হয়। তাঁর পেটে-বুকে ও মাথায় গুলি লাগে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় তাঁর। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন গাড়ির চালকও। রাতেই মধ্যমগ্রামের হাসপাতালে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী, সকান্ত মজুমদাররা। এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আদালতের তত্ত্বাবধানে সিবিআই তদন্তের আর্জি জানিয়েছে তারা।