‘ঘূর্ণি’কে চেনেন? ক্রিকেটার হওয়া মেয়েটির স্বপ্ন। কিন্তু স্বপ্নকে লালন করা আর বাস্তবে তা ঘটানোর মধ্যে তফাৎ অনেকটা। তার সঙ্গে আছে সমাজের বাধ্যবাধকতা, কঠোর নিয়মনীতি। হুগলির মেয়ে ঘূর্ণি দাসের সব বাধা টপকে ক্রিকেটার হওয়া সহজ ছিল না। মনের জেদ, কঠোর অনুশীলনের মধ্যে দিয়ে ঘূর্ণি প্রভাব ফেলেছে দর্শকদের মনে। স্টার জলসার পর্দায় তাঁকে এখন দেখেন দর্শক।
আবার ‘গঙ্গা’র গল্প খানিক আলাদা। মাটির সোঁদা গন্ধ ও নদীর কলতানের মধ্যেই গঙ্গার ঠিকানা। সাহসী গঙ্গা স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসে। তার সঙ্গে পরিচয় হয় অর্জুনের। সে সততার সঙ্গে চাকরি করে পুলিশে। পড়াশোনা, স্বভাবে ও পারিবারিক অবস্থানে গঙ্গার বিপরীত অর্জুন। দু’জনের জীবনের মিলের চেয়ে অমিলটাই বেশি। কিন্তু দুই বিপরীতমুখী চরিত্রকে এক ছাতার তলায় দাঁড় করিয়েছে এই ধারাবাহিক। আবার আবেগ, ভালোবাসা থেকে প্রেমের বহিঃপ্রকাশের গল্প বোনা হয়েছে আর এক ধারাবাহিক ‘প্রতিজ্ঞা’য়।
‘সংসারের সংকীর্তন’ দেখলে মনে হতে পারে, এ আপনার নিজের সংসারেও ঘটে। শ্বশুর ও বৌমার মধ্যে নিত্যকার ঝামেলা। ঘটি- বাঙালের লড়াই। উত্তর কলকাতার শ্বশুর বনাম দক্ষিণ কলকাতার বাঙাল পরিবারের বৌমা। জেনারেশন গ্যাপের ফলে বৌমা ও শ্বশুরের মধ্যে পড়ে চিঁড়েচ্যাপ্টা অবস্থা বেচারা জয়ন্তর। একদিকে ডাক্তারি পেশা, অন্যদিকে সংসারের নিত্যনতুন নাটকে ব্যতিব্যস্ত ডাক্তার।
স্টার জলসার নতুন স্বাদের এই চারটি বাংলা ধারাবাহিক নিয়ে রীতিমতো চর্চা চলছে। প্রতিটি ধারাবাহিকের গল্প, উপস্থাপনা সবই নতুন ধারার। এমনকি নির্মম বাস্তবও। সংশ্লিষ্ট চ্যানেলের স্লোগান ‘চলো পাল্টাই’। গল্পের নতুন স্বাদ, উপস্থাপনার ভিন্ন আঙ্গিকের মাধ্যমে এই স্লোগানের বাস্তব ভিত্তি তৈরি হয়েছে।