• গোষ্ঠীকোন্দলে ইম্পায় তীব্র বিক্ষোভ, মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনী
    প্রতিদিন | ০৭ মে ২০২৬
  • ‘পরিবর্তনের ঢেউ’ আছড়ে পড়েছে টলিউডেও! সোমে রাজ্যে প্রথমবার পদ্ম ফোটানোর চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই ইম্পার সভাপতি পদ থেকে পিয়া সেনগুপ্তর পদত্যাগের দাবি তুলেছিল সংশ্লিষ্ট টলিউড সংগঠনের বিজেপি সমর্থক সদস্যরা। এরপর মঙ্গলবার ইম্পার অফিসে গঙ্গাজল ছিটিয়ে শুদ্ধিকরণের পাশাপাশি বিক্ষোভ প্রদর্শনের পর গেরুয়া আবিরে রঙিন হতেও দেখা যায় তাঁদের। দিন দুয়েকের এই ঝামেলা বুধবার রাতে আরও চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছয়, বললেও অত্যুক্তি হয় না!

    বাংলায় রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই চর্চার শিরোনামে টলিউড সংগঠন ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার্স অ্যাসোসিয়েশন। প্রকাশ্যে ইম্পার আভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীকোন্দল। সংশ্লিষ্ট সংগঠনের অফিসে বুধবার ফের সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তর অপসারণের দাবিতে আরেক প্রস্থ বিক্ষোভ প্রদর্শন করে ভাঙচুর চালানো হয়। এমতাবস্থায় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ইম্পার ইসি কমিটি বউবাজার থানার দ্বারস্থ হয়েছে এদিন। কোর্টের নির্দেশ অনুসারে, ইম্পা চত্বরে পুলিশও মোতায়েন রয়েছে বুধবার বিকেল থেকে। এরপর পরিস্থিতি রণক্ষেত্র হতেই এসে পৌঁছয় সিআরপিএফ। বুধবার বিকেলেই কানাঘুষো শোনা গিয়েছিল যে, ১৪৪ ধারা জারি করা হতে পারে।

    পুলিশের সঙ্গেও দফায় দফায় মিটিং করে উভয় পক্ষই। বিক্ষুব্ধ সদস্য পরিবেশক শতদীপ সাহা জানান, “আমরা দীর্ঘ আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, ৮ তারিখ শুক্রবার দুপুরে আমরা দু’পক্ষ আবার মিটিংয়ে বসব। আমাদের দাবি নিয়ে আলোচনা হবে।” বিক্ষুব্ধ সদস্যদের তরফে বারবার অভিযোগ করা হয়েছে যে এই ইসি কমিটি নির্বাচিত নয়। তাঁরা গা-জোয়ারি করে পদ দখল করে রেখেছেন। এর পাল্টা পিয়া সেনগুপ্ত বলেন, “আমাদের কাছে সব প্রমাণ রয়েছে। কোর্টের নজরদারিতে আমাদের নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। কোনও মিথ্যে অভিযোগ করলে তার সপক্ষে প্রমাণ দিতে হবে। প্রমাণ ছাড়া কোনও কিছু গ্রাহ্য হবে না।” এপ্রসঙ্গে ইম্পার প্রযোজক বিভাগের চেয়ারম্যান ঋতব্রত ভট্টাচার্য জানান, “আজকের মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ইমপার নিয়মে বদল হবে। প্রত্যেক প্রযোজক স্বাধীন। ছবি তৈরির ক্ষেত্রে বাজেটের লক্ষ্যমাত্রার বাধা তুলে দেওয়া হল। সবাই নিজেদের বাজেটে ছবি করতে পারবেন।”

    অন্যদিকে বুধবার রাতের খবর, টেকনিশিয়ানদের মধ্যে কিছু বিজেপি সমর্থক টেকনিশিয়ান্স স্টুডিওর ভিতর ফেডারেশনের অফিসে গিয়ে শুটিংয়ের মধ্যে ঝামেলা করেছেন। বিরাট কিছু না ঘটলেও অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়।
  • Link to this news (প্রতিদিন)