• ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রীকে যদি না হারাতাম, তবে চন্দ্রনাথকে চলে যেত হতো না: শুভেন্দু
    এই সময় | ০৭ মে ২০২৬
  • ভবানীপুরে জয়ী শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক বলেই চন্দ্রনাথ রথকে চলে যেতে হলো। বৃহস্পতিবার বারাসত হাসপাতাল থেকে বেরোনোর সময়ে এমনই মন্তব্য করলেন স্বয়ং শুভেন্দুুই। 

    বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামে শুভেন্দুর ব্যক্তিগত সহায়ক (ইএ) চন্দ্রনাথকে পর পর গুলি করে খুন করা হয়। ঘটনার খবর পেয়েই সেখানে পৌঁছন শুভেন্দু। দু’ঘণ্টা হাসপাতালে থাকার পরে রাত ২টো নাগাদ হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘পূর্বপরিকল্পিত খুন। এখানে ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্ত ও অন্য পুলিশকর্তারা এসেছিলেন। এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির যোগ থাকতে পারে। আপাতত রাজ্য পুলিশের উপরে ভরসা রাখছি।’

    বৃহস্পতিবার বারাসত হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল চন্দ্রনাথের দেহ। শুভেন্দুও সেখানে গিয়েছিলেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে সংবাদমাধ্য়মের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘একটি নিষ্পাপ, শিক্ষিত, তরুণকে খুন করা হল কেবলমাত্র বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক বলে আর শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছে বলে।‘ শুভেন্দু আরও বলেন, ‘চন্দ্রনাথের অপরাধের কোনও ইতিহাস নেই। ও সরাসরি রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিল না। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সহায়ক হওয়ার জন্যই ওকে খুন করা হয়েছে।’

    শুভেন্দু বলেন, ‘আমার আপ্তসহায়ক ছিল বলেই চন্দ্রনাথ রথকে চলে যেতে হল। আমি যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীপুরে না হারাতাম, তা হলে ওর এই পরিণতি হতো না।’ চন্দ্রনাথের মৃত্যুকে ‘ব্যক্তিগত ক্ষতি’ বলে জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘ঠান্ডা মাথায় রেকি করে খুন করা হয়েছে। তদন্তকারীদের কাছে আমার প্রার্থনা, এর সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকটা লোককে খুঁজে বার করে আইনি পথে ফাঁসিতে ঝোলানো হোক।’

    প্রসঙ্গত, বুধবার রাতেই চন্দ্রনাথের খুনের তীব্র নিন্দা করে আদালতের তত্ত্বাবধানে সিবিআই তদন্ত চেয়েছে তৃণমূল। একই সঙ্গে ভোট পরবর্তী হিংসায় খুন হওয়া তৃণমূল কর্মীদের মৃত্যু-তদন্তও দাবি করা হয়েছে।

  • Link to this news (এই সময়)