ক্যান্সার, লিভারের গুরুতর রোগ, অন্যান্য জটিল রোগের নকল ওষুধ তৈরি করা হতো। সেই ওধুধ ছড়িয়ে দেওয়া হতো দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। ভেজাল ওষুধ চক্রের পর্দাফাঁস করল দিল্লি পুলিশ। অভিযোগের ভিত্তিতে চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
এই জাল ওষুধ চক্রের পিছনে মনোজকুমার মিশ্র নামে এক ব্যক্তির নাম উঠে আসছে। মনোজ মণিপুরের বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে খবর, একটা সময়ে মনোজকুমার সার্জিক্যাল গ্লাভস ও মাস্কের ব্যবসা করতেন। কোভিডের সময়ে সেই ব্যবসার অনেকটা ক্ষতি হয়। এর পরেই ধীরে ধীরে জাল ওধুধের ব্যবসায় ঢুকে পড়েন তিনি। ধীরে ধীরে সেই জালচক্র ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে।
দিল্লি পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভেজাল ওষুধ, নকল লেবেল, প্যাকেজিং সামগ্রী এবং বিভিন্ন যন্ত্রপাতি উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জাল ওষুধ সরবরাহ করছিল। এর ফলে বহু রোগীর জীবন ঝুঁকির মুখে পড়তে পারত। তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্তরা নামী সংস্থার ওষুধের নকল তৈরি করে তা আসল ওষুধ হিসেবে বাজারে বিক্রি করা হতো। বিশেষ করে জটিল রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত দামি ইনজেকশন ও ওষুধ প্রোডাকশন করা হতো।
পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রের সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারে। গোটা নেটওয়ার্কের সন্ধানে তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে দেশের অন্যান্য রাজ্যেও এই ভুয়ো ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।