বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
আনন্দবাজার | ০৮ মে ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শনিবার সকালে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার, পঁচিশে বৈশাখ ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথ গ্রহণ করবেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তাঁকে ৪ মে-র পরে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আসতে হবে। সেইমতো পঁচিশে বৈশাখ রাজ্যে আসছেন মোদী।
প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল ৮টা ৫ মিনিট নাগাদ দিল্লি বিমানবন্দর থেকে ভারতীয় বায়ুসেনার বি-৭৭৭ বিমানে চেপে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা মোদীর। সকাল ১০টা ২৫ মিনিট নাগাদ তাঁর কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছোনোর কথা। সেখান থেকে এমআই-১৭ হেলিকপ্টারের আরসিটিসি হেলিপ্যাডে নামার কথা মোদীর। সেখান থেকে সড়কপথে ব্রিগেডে পৌঁছোবেন। ১১টা নাগাদ সেখানে পৌঁছোনোর কথা তাঁর। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের সূচি সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্রিগেডে সাড়ে ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান চলার কথা।
অনুষ্ঠানশেষে ১২টা ৩৫ মিনিট নাগাদ ব্রিগেড থেকে একই ভাবে সড়কপথে হেলিপ্যাড এবং সেখান থেকে কপ্টারে চেপে বিমানবন্দরে গিয়ে বিমানে ওঠার কথা রয়েছে মোদীর। শনিবার বিকেল ৩টে ৪০ মিনিট নাগাদ দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা প্রধানমন্ত্রীর বিমান।
রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে, গত ২৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী ভাটপাড়ায় প্রচারে বলেছিলেন, ‘‘বাংলায় যেখানে যেখানে গিয়েছি, মানুষের যা মেজাজ দেখেছি, এই বিশ্বাস নিয়ে যাচ্ছি যে, ৪ মে-র পরে বিজেপির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আসতেই হবে।’’ সেইমতো শনিবার রাজ্যে আসছেন মোদী।
শুক্রবার সকালে রাজ্যে আসার কথা রয়েছে শাহের। বিজেপি সূত্রে খবর, হবু বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে শাহের। বিধানসভায় বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা বেছে নেওয়ার কাজে পর্যবেক্ষক করা হয়েছে তাঁকে। এই কাজের জন্য সহকারী পর্যবেক্ষক হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পড়শি রাজ্য ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝিকে। যে কোনও রাজ্যে নির্বাচনের পরে পরিষদীয় দলনেতা বাছার সময় সেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের পাঠান বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁরা দলের নবনির্বাচিত প্রার্থী বা হবু বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকেই পরিষদীয় দলনেতার নাম ঘোষণা হয়ে যায়।