ভারতের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে জলবণ্টন চুক্তি নয়, বোঝাল নয়াদিল্লি
বর্তমান | ০৮ মে ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠনের পর সর্বাগ্রে যে বকেয়া সিদ্ধান্তগুলি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার উদ্যোগী, তার মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশের সঙ্গে জলবণ্টন চুক্তি। ডিসেম্বর মাসে সমাপ্ত হবে গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তি। ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ নদী কমিশনের সদস্যরা দুই দেশে পরিদর্শন করেছেন বছরের শুরুতেই। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকার ডিসেম্বর মাসে আলোচনাও করেছে। কিন্তু এবার সরকার বদলে যাওয়ায় আবার সব কিছু নতুন করে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। গঙ্গা চুক্তির নতুন কিছু শর্ত এবং মেয়াদ নিয়ে আলোচনা হবে। কিন্তু তার থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হল তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি কি আদৌ হবে এবার? তিস্তা জল চুক্তি নিয়ে কেন্দ্র রাজি হলেও বারংবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার আপত্তি জানিয়েছে। বিকল্প একঝাঁক নদীর জলবণ্টনের প্রস্তাব তৃণমূল সরকার দিয়েছিল। কিন্তু তিস্তায় তারা রাজি হয়নি। অন্যদিকে বাংলাদেশ সরকার তিস্তা জলচুক্তিই চায়। এবার সেই চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়েও বাংলাদেশ আশাবাদী। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারি সূত্রের খবর, এমন কোনও চুক্তি করা হবে না যা স্বার্থহানি করবে উত্তরবঙ্গের। বৃহস্পতিবার বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ৫৪টি নদীর সীমান্ত আছে। দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনাও নিয়মিত হয়ে থাকে। আবার আলোচনা হবে। কোনও জটিলতা নেই। বিজেপি সূত্রের খবর,উত্তরবঙ্গ নিয়ে নতুন সরকারের কিছু পরিকল্পনা আছে। কিন্তু উত্তরবঙ্গকে পৃথক রাজ্য করা নিয়ে আপাতত আর উচ্চবাচ্য করা হবে না। বরং আরও বেশি উন্নয়নের তালিকায় উত্তরবঙ্গকে নিয়ে আসা হবে। জানা যাচ্ছে, কোনও এক উপ মুখ্যমন্ত্রীকে উত্তরবঙ্গের জন্য বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। তাছড়া উত্তরবঙ্গের জন্যই থাকবেন মন্ত্রী এবং কয়েকটি পর্ষদ।