দেশের আইবি প্রধান হতে পারেন বাঙালি অফিসার ঋত্বিক রুদ্র
বর্তমান | ০৮ মে ২০২৬
সন্দীপ স্বর্ণকার, নয়াদিল্লি: দেশের পরবর্তী গোয়েন্দা প্রধান পদে কি বসতে চলেছেন প্রবাসী বাঙালি ঋত্বিক রুদ্র? রাজধানীর সরকারি অলিন্দে এমনটাই চর্চা চলছে। চলতি বছরের ৩০ জুন বর্তমান গোয়েন্দা প্রধান তপন কুমার ডেকার মেয়াদ শেষ হচ্ছে। ২০২২ সালে দায়িত্ব নিয়েছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ঘনিষ্ঠ ডেকা। সাধারণত গোয়েন্দা প্রধান পদের মেয়াদে কাউকে দু বছরের জন্য বসানো হয়। মেয়াদ শেষের পরেও তপন কুমার ডেকাকে দু’বার দায়িত্ব দিয়েছে সরকার। তবে আর নয়।
এবার নতুন কাউকেই আইবি (ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো)র ডিরেক্টর পদে বসানো হবে। আর সেই পদেই ঋত্বিক রুদ্রর নাম শোনা যাচ্ছে। দিল্লিতে জন্ম ১৯৯৩ সালের হিমাচল প্রদেশ ক্যাডারের এই ৫৭ বছর বয়সি আইপিএস বর্তমানে গোয়েন্দা বিভাগেই স্পেশাল ডিরেক্টর পদে কর্মরত। অত্যন্ত বিশ্বস্ত সূত্রে খবর, বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লিতে নিরাপদে থাকার বিষয়টি তিনিই দেখভাল করেন। চীন সংক্রান্ত গোপন খবরাখবরের ব্যাপারেও তিনি অভিজ্ঞ।
ঋত্বিক রুদ্রর পিতা কল্যাণ রুদ্র একসময় হরিয়ানার ডিজিপি ছিলেন। পরে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বিভাগে স্পেশাল ডিরেক্টরও হয়েছিলেন। এখন যে পদে রয়েছেন তাঁর পুত্র। ঋত্বিক রুদ্রর পাশাপাশি ওড়িশা ক্যাডারের অফিসার সুনীতা কোকরানের নামও আইবি ডিরেক্টর পদে শোনা যাচ্ছে। ১৯৯৬ ব্যাচের আইপিএস সুনীতা, নাকি ঋত্বিক? দুই দুঁদে অফিসারের মধ্যেই একজনকে বাছা হবে। সেক্ষেত্রে ঋত্বিক রুদ্রই এগিয়ে রয়েছেন বলে বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে।
অন্যদিকে, সিবিআই (সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) প্রধান পদেও নতুন কাউকে বসানো হবে। আগামী ১২ মে সিবিআই ডিরেক্টর পদে প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করতে বৈঠক ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী, দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, তিনজনের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটিই নতুন সিবিআই ডিরেক্টর নির্বাচন করবে। বর্তমানে সিবিআই ডিরেক্টর পদে রয়েছেন প্রবীণ সুদ। ১৯৮৬ সালের কর্ণাটক ক্যাডারের এই আইপিএস অফিসার ২০২৩ সালে সিবিআই প্রধান হন। মেয়াদ শেষের পরেও দুবার তাঁর সময় বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিবিআই ডিরেক্টর কে হবেন, তা ঠিক করতেই ডাকা হয়েছে বৈঠক।