• মাছেভাতে শুভেন্দু, পান্তা থেকে ভাপা ইলিশ, ছেলের আর কোন পছন্দের পদে পাত সাজাবেন মা?
    প্রতিদিন | ০৯ মে ২০২৬
  • বিজেপি নাকি আমিষবিরোধী! এরাজ্যের ক্ষমতায় এলে মাছ-মাংস খাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে, ছাব্বিশের রাজনৈতিক লড়াইয়ে এমন ভাষ্য শোনা গিয়েছিল ঘাসফুল শিবিরের তরফে। সেই প্রচার অবশ্য ঘাসফুলকে খুব বেশি ফুটে ওঠার সুযোগ দেয়নি। মাত্র ৮০টি আসন পেয়ে রাজ্যের বিরোধী দলের তকমা জিইয়ে রেখেছে। অন্যদিকে, বিজেপি ২০৭ আসন পেয়ে সরকার গড়ছে। ষোলআনা বাঙালিয়ানা জারি রাখতে তাদের চেষ্টার অন্ত নেই। রবীন্দ্রসঙ্গীত থেকে মাছেভাতে জয় উদযাপনের ছবিটা দিকে দিকে দেখা যাচ্ছে। এর মাঝেই ভাবী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর খাদ্যাভ্যাসও চর্চায়। জানা যাচ্ছে, তিনি কিন্তু একেবারে যাকে বলে মাছেভাতে বাঙালি!

    কাঁথির ‘শান্তিকুঞ্জ’ ঘিরে বরাবর রাজনীতির পরিবেশ। সেই বাড়ি থেকে বিধায়ক, সাংসদ হয়ে এবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসছেন শুভেন্দু অধিকারী। এ তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের যথাযোগ্য পুরস্কার। শুক্রবার যখন তাঁর নাম ঘোষণা করলেন অমিত শাহ, তখন বাড়ির পরিবেশই গেল বদলে। প্রতিবেশীরা গেরুয়া আবির মেখে মেতে উঠলেন নাচেগানে। তাঁদের সেই চেনা ‘বুবাই’ এখন রাজ্য শাসন করবে! এই আনন্দ তো উপচে পড়া!

    ছেলের এই সাফল্যে আবেগে থরোথরো আশি ছুঁইছুঁই গায়ত্রী অধিকারী। পুত্রগর্বে গরবিনী গায়ত্রীদেবীর মনে এখন অতীতের বহু কথা ঘোরাফেরা করছে। বিশেষত মায়ের নজরে ছেলের খাওয়াদাওয়া। গায়ত্রীদেবী জানাচ্ছেন, মেজো ছেলে শুভেন্দু বরাবর মাছ-ভাত ভালোবাসে। পান্তাভাত আর ইলিশভাপা তাঁর বিশেষ প্রিয়। বাড়িতে থাকলে শুভেন্দুর সকালটা শুরু হয় রুটি,তরকারি আর ফল দিয়ে। দুপুরে ভাত, মাছের ঝোল। আর গ্রীষ্মকালে রাতে পান্তাভাত, আলুসেদ্ধ পছন্দের খাবার ভাবী মুখ্যমন্ত্রীর। এছাড়া ইলিশভাপা আর ইলিশভাজা, পোস্ত শুভেন্দুর বড় প্রিয়। কাজেই বিজেপি সরকার গঠন হলে মাছভাত নিয়ে অন্তত রাজ্যবাসীকে সমস্যায় পড়তে হবে না। কারণ, খোদ মুখ্যমন্ত্রীই যে ‘মাছেভাতে বাঙালি’।
  • Link to this news (প্রতিদিন)