রবীন্দ্র জয়ন্তী পালনের অনুমতি দিচ্ছে না রাজ্যের প্রশাসন। অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের। এই নিয়ে বিজেপিকে নিশানা করল তারা। রবীন্দ্র জয়ন্তী পালন করার অনুমতি না দেওয়াকে রাজ্যের বিরাট ‘পরিবর্তন’ বলে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
নির্বাচনী প্রচারের সময়েও বিজেপি (BJP)-কে বাংলা এবং বাঙালি বিদ্বেষী বলে অভিযোগ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি রাজ্যের সংস্কৃতি নষ্ট করে দেবে বলেও অভিযোগ করে তারা। তবে, নির্বাচনে ২০৭টি আসন পাওয়ার পরেই, ২৫ বৈশাখ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিনেই নতুন সরকারের শপথগ্রহণ হবে বলে জানিয়েছিল বিজেপি। কারণ, এই দিনটা সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাঙালির আবেগ। তৃণমূলের অভিযোগের জবাব দিতেই তাই সরকার গঠনের জন্য এই দিনটাকেই বেছে নিয়েছে গেরুয়া শিবির।
আজ, শনিবার, ২৫শে বৈশাখ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন। আজকেই রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ব্রিগেডে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narenda Modi), কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-দের। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর নাম ঘোষণার সময়েও অমিত শাহের মুখে ছিল রবি ঠাকুরের কথা।
তবে, বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ করল তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। তাদের দাবি, তিনটি জায়গায় রবীন্দ্রজয়ন্তী (Rabindra Jayanti) পালনের অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। অরাজনৈতিক সংগঠনের তরফে এই অনুমতি চাওয়া হলেও তা দেওয়া হয়নি। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ কটাক্ষ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, ‘রবীন্দ্র জয়ন্তী পালনের অনুমতি দিতে অস্বীকার করেছে রাজ্যের প্রশাসন। এটাই নতুন বাংলা। এটাই বিশাল পরিবর্তন।’
তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, এই চক্রান্ত করেও কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে তাদের হৃদয় থেকে উপড়ে ফেলতে পারবে না বিজেপি। এই কারণেই কালীঘাটে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বাড়ির কাছে রবীন্দ্র জয়ন্তী পালন করবে তারা বলেও জানিয়েছে।
প্রসঙ্গত, এর আগেই যেখানে সম্ভব, সেখানে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন করতে হবে বলে দলের কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী।