• আর পনেরো দিনেই দেশে ঢুকছে বর্ষা! প্রাক-বর্ষার বৃষ্টির মধ্যেই সুখবর হাওয়া অফিসের
    প্রতিদিন | ০৯ মে ২০২৬
  • যদিও দেশের বিরাট অংশ জুড়েই মে মাস ‘অস্বাভাবিক’ শীতল, তবুও দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর আগমনের ইঙ্গিতগুলো ক্রমশ জোরালো হয়ে উঠছে। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে মৌসুমী বায়ুর প্রত্যাশিত আগমনের আর মাত্র পনেরো দিনেরও কম সময় বাকি। এমনটাই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। সাধারণত এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে শুরু হয়ে গোটা মে মাসজুড়েই চলে গ্রীষ্মের দাপট। এবার বৃষ্টির সাহায্যে সেই দাপট থেকে রেহাই মিলেছে।

    আইএমডি আগামী সাত দিন তামিলনাড়ু, পুদুচেরি, কেরালা এবং মাহে অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে। অন্যদিকে উত্তর-পশ্চিম ও পূর্ব ভারত জুড়ে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাত, শিলাবৃষ্টি চলছে। মে মাস জুড়ে প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি আরও তীব্র হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যা থেকে পরিষ্কার, বর্ষা তার নির্ধারিত সময়সূচি মেনেই অগ্রসর হচ্ছে। জানানো হয়েছে, ১ জুনের কাছাকাছি সময়ে অর্থাৎ একেবারে সময়সূচি মেনেই কেরালা উপকূলে বর্ষা যথাসময়ে এসে পৌঁছানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    এদিকে পূর্বাভাস বলছে, এই মাসে বৃষ্টির এলপিএ অর্থাৎ ‘লং পিরিয়ড অ্যাভারেজ’ পেরিয়ে যাবে ১১০ শতাংশ। অর্থাৎ সাধারণত গ্রীষ্মে যে পরিমাণ বৃষ্টি হয় সেই গড় মান এবার থাকবে অনেক বেশি। তথ্য বলছে, ১৯৭১ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে মে মাসে বৃষ্টি হয় গড়ে ৬৪.১ মিলিমিটার। উত্তর ভারত-সহ গোটা দেশেই এক ছবি। কিন্তু এবার এই গড় বৃষ্টিকে পিছনে ফেলে আরও বেশি বৃষ্টি হতে চলেছে। তবে বৃষ্টিপাতের বণ্টন অসম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    দেশের বিপাট অংশে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও, পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের কিছু নির্দিষ্ট এলাকা, পূর্ব-মধ্য অঞ্চলে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। এই আঞ্চলিক তারতম্য কৃষি পরিকল্পনার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে সেইসব ফসলের ক্ষেত্রে, যা মরশুমের শুরুর দিকের বৃষ্টির ওপর নির্ভরশীল।
  • Link to this news (প্রতিদিন)