দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাঁচ স্কুল থেকে মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় ১১ জন
বর্তমান | ০৯ মে ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশের হারের নিরিখে রাজ্যের প্রথম পাঁচটি জেলার মধ্যে স্থান পায়নি দক্ষিণ ২৪ পরগনা। তবে মেধাতালিকায় কৃতীদের জায়গা পাওয়ার ক্ষেত্রে উপরের সারিতে রয়েছে এই জেলা। এবছর এখান থেকে ১১ পড়ুয়া মাধ্যমিকে স্থান অর্জন করেছে। তার মধ্যে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনেরই সাতজন। এছাড়াও সোনারপুরের সারদা বিদ্যাপীঠ হাইস্কুল, কাকদ্বীপের সুন্দরবন আদর্শ বিদ্যামন্দির, জয়নগরের জে এম ট্রেনিং উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও দক্ষিণ বারাসতের শিবদাস আচার্য হাই স্কুলের একজন করে পড়ুয়া পর্ষদের প্রকাশিত মেধা তালিকায় জায়গা পেয়েছে।
১১ জনের মধ্যে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের সৌর জানা যুগ্মভাবে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে।
পর্ষদ প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে পরীক্ষায় বসেছিল ৮৬ হাজার ৩০৩ পরীক্ষার্থী। পাশের হার ৮৯.১২ শতাংশ। ছাত্রীদের তুলনায় ছাত্রদের উত্তীর্ণ হওয়ার হার বেশি। এবারও নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন থেকে জেলার মধ্যে সর্বাধিক পড়ুয়া মেধা তালিকায় স্থান পেয়েছে। তৃতীয় ছাড়াও পঞ্চম স্থান পেয়েছে সামন্তক কুণ্ডু। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৩। এছাড়া ৬৯১ পেয়ে সপ্তম সোমজ্যোতি দাস। যুগ্মভাবে অষ্টম জীবিতেশ কয়াল ও সৌম্যকান্তি কুইলা। দু’জনেই পেয়েছে ৬৯০। নবম ও দশম স্থানাধিকারীরা হল ঐশিক চক্রবর্তী এবং অনুরাগ মণ্ডল। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। তাদের মধ্যে অধিকাংশ চিকিৎসক হতে চায় বলে জানিয়েছে।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক স্বামী ইশতেসানন্দ বলেন, ‘নিয়মানুবর্তিতা মেনে এখানে ছেলেরা পড়াশোনা করেছে। মোবাইল ফোনের ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আছে। তাই সবাই ভালো করে প্রস্তুতি নিতে পেরেছে। মাধ্যমিকের ফলাফলে তা স্পষ্ট।’
এর পাশাপাশি অষ্টম স্থানাধিকারি জয়নগরের মজিলপুর জে এম ট্রেনিং স্কুলের ছাত্র মৈনাক চক্রবর্তী পেয়েছে ৬৯০। মেধাতালিকায় আসতে পেরে খুশি সে। দক্ষিণ বারাসত শিবদাস আচার্য হাই স্কুলের ছাত্র অয়ন হালদার ৬৮৮ নম্বর পেয়ে দশম স্থান অধিকার করেছে। অয়ন বলে, ‘ভবিষ্যতে আরও বড়ো কিছু করার স্বপ্ন আছে।’ উচ্চশিক্ষা নিয়ে সমাজের জন্য কাজ করতে চায় বলে দাবি এই কৃতীর। অন্যদিকে সোনারপুরের সারদা বিদ্যাপীঠ হাই স্কুলের ছাত্রী বিদিশা হালদার ষষ্ঠ হয়েছে। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯২। কাকদ্বীপের সুন্দরবন আদর্শ বিদ্যামন্দিরের ছাত্র শাশ্বত মাইতি ৬৮৮ নম্বর পেয়ে দশম স্থান অধিকার করেছে। ও ভবিষ্যতে চিকিৎসক হতে চায়।