বিজেপি কর্মীর বাড়িতে আগুন! আটক তৃণমূল কাউন্সিলার সহ ৪
বর্তমান | ০৯ মে ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সোনারপুর দক্ষিণে মালঞ্চ মাহিনগর এলাকায় বিজেপির এক কর্মীর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। আগুনে ঘরের যাবতীয় সামগ্রী পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। এই ঘটনায় স্থানীয় কাউন্সিলার সহ একাধিক ব্যক্তির নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বিজেপি কর্মী প্রণব মণ্ডল। তদন্তে নেমে পুলিশ চারজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
ওই বিজেপি কর্মীর অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে তিনি বাইরে গিয়েছিলেন। বাড়িতে তাঁর বৃদ্ধা মা, দাদা ও বউদি ছিলেন। রাত সওয়া ১২টা নাগাদ একদল দুষ্কৃতী বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার তাপস হালদার সহ তাঁর অনুগামীরা জড়িত। অবিলম্বে এ ব্যাপারে পদক্ষেপ করার আরজি জানিয়েছেন ওই বিজেপি কর্মী। স্থানীয় সূত্রে খবর, রাতে আগুন লাগার পর প্রণববাবুর দাদা-বউদি বৃদ্ধা মাকে বের করে এনে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু সফল হননি। পরে দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে আগুন নেভায়। এই ঘটনার পর তীব্র আতঙ্কে রয়েছে মণ্ডল পরিবার। শুক্রবার সকাল থেকেই ওই বিজেপি কর্মীর বাড়ির বাইরে পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে। দমকল এবং ফরেন্সিক দলের পক্ষ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় কাউন্সিলার সহ চারজনকে আপাতত আটক করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় হতবাক গোটা এলাকা। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
এদিকে, ভোট পরবর্তী হিংসাকে কেন্দ্র করে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল ভাঙড়। শুক্রবার সকালে ভাঙড়ের উত্তর কাশীপুর থানার চণ্ডীহাট এলাকায় তৃণমূল ও আইএসএফ কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। এই ঘটনায় উভয়পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছে। একই ঘটনা ঘটেছে বিজয়গঞ্জ বাজার থানা এলাকার ভুমরু গ্রামে। বেশ কিছুদিন ধরেই ওই গ্রামে তৃণমূল ও আইএসএফ কর্মীদের মধ্যে অশান্তি লেগে ছিল। এদিন যা বড়ো আকার নেয়। উভয়পক্ষের কয়েকটি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সংঘর্ষের ঘটনায় দু’পক্ষেরই একাধিক কর্মী আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কাকদ্বীপের রামগোপাল গ্রাম পঞ্চায়েতের সারদা মোড় এলাকায় কয়েকটি দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দাবি, বিজেপির কর্মী ও সমর্থকরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। যাঁদের দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে, তাঁরা তৃণমূলের সমর্থক। তবে বিজেপি নেতা কৌশিক দাস বলেন, এরকম কোনো তথ্য এখনও আমাদের কাছে নেই। বিজেপি এমন ঘটনা সমর্থন করে না। সত্যিই কিছু ঘটেছে কি না, তা খোঁজ নিয়ে দেখছি। নিজস্ব চিত্র