• ‘আমরা এগিয়ে যাব’, ঠাকুরবাড়িতে দাঁড়িয়ে বাংলার ‘নবনির্মাণ’-এর আহ্বান মুখ্যমন্ত্রীর
    এই সময় | ০৯ মে ২০২৬
  • শপথ নেওয়ার পরে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড থেকে জোড়াসাঁকো ঠাকুবাড়ি গেলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীতে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে গিয়ে প্রণাম নিবেদন করেন তিনি। সেখানে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘কবিগুরুকে প্রণাম জানিয়ে নতুন সরকার দায়িত্ব নিল। আমরা দায়িত্বভার নিলাম। বাংলা, বাঙালির সংস্কৃতি কবিগুরুর চেতনাতে হবে, কবি গুরুর ভাবনাতে হবে। তার আজকে শুভ সূচনা।’

    ২০২৩ সালের ৯ মে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৎকালীন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ ও প্রাক্তন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। ছিলেন তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মাঝে দু’টি বড় নির্বাচন হয়েছে। পালাবদলের পরে রাজ্যের শাসনভার উঠেছে শুভেন্দু অধিকারীর হাতে। ‘বাংলার অস্মিতা’র বিরোধী বলে দাগিয়ে বিজেপিকে বার বার আক্রমণ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ঠাকুরবাড়িতে দাঁড়িয়ে তার জবাব দিলেন শুভেন্দু।

    মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘ধুতি-পাঞ্জাবিতে থাকা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের তৈরি করা আদর্শের ভিত্তিতে যে রাজনৈতিক দল, তাকে কারও কাছ থেকে সার্টিফিকেট নিতে হবে না। আমি এখানে কোনও বিতর্কিত মন্তব্য করব না। আমি এখন মুখ্যমন্ত্রী, আমি এখন সকলের। আমি চাই শুভ বুদ্ধির উদয় হোক। আমি বলব, যাঁরা এখনও সমালোচনা করছেন, তাঁদের চৈতন্যের উদয় হোক।…আমাদের একটাই মন্ত্র— চরৈবতি, চরৈবতি, চরৈবতি।’

    কবিগুরুর বাংলায় শিক্ষা-স্বাস্থ্য-সংস্কৃতির ক্ষেত্রে রাজ্য অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি। মানুষের আস্থা অর্জন করে এ বার বাংলার উন্নয়নের ভার বিজেপির হাতে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘বাংলার অনেক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে। শিক্ষা হারিয়ে গিয়েছে। সংস্কৃতি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। আমরা বাংলাকে নবনির্মাণ করব। অনেক দায়িত্ব রয়েছে। এখন রাজনৈতিক কচকচানির সময় নয়। যাঁরা করতে চাইছে করুক, আমরা এগিয়ে যাব।’

  • Link to this news (এই সময়)