• ‘চোখে ঠুলি বেঁধে থেকো না’, সোশাল মিডিয়ায় মমতাকে ‘ধৃতরাষ্ট্র’ খোঁচা ফিরহাদ কন্যার!
    প্রতিদিন | ০৯ মে ২০২৬
  • ক্ষমতা হাত থেকে যেতেই দলীয় ক্ষোভ যেন পিছু ছাড়ছে না তৃণমূলের। বাংলায় তৃণমূলের ভরাডুবি হতে না হতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘কর্পোরেট কালচার’ নিয়ে একের পর এক মুখ খুলতে শুরু করেছেন দলের নেতারাই। দলীয় ক্ষোভ প্রকাশ্যে আসতেই ৫ নেতাকে শোকজ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার ফিরহাদ কন্যা প্রিয়দর্শিনী হাকিমের ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট ঘিরে অস্তিত্ব ঘাসফুলশিবিরে।

    সামাজ মাধ্যমে ফিরহাদ কন্যা লেখেন, ‘মহাভারতের মহাযুদ্ধের প্রধান কারণ ছিল দুর্যোধনের প্রতি ধৃতরাষ্ট্রের অন্ধ প্রেম ও পক্ষপাতিত্ব। জনশ্রুতিমূলক কাহিনির ভিত্তিতে ভগবান রামচন্দ্রের পদক্ষেপের ফলেই রামরাজ্যের পতন শুরু হয়, যার ফলস্বরূপ অগ্নিপরীক্ষা সত্ত্বেও মা সীতাকে নির্বাসনে পাঠানো হয়। সুতরাং, কারও প্রতি নীতিহীন আনুগত্যে অন্ধ হবেন না।” প্রিয়দর্শিনী হাকিম আরও লেখেন, “চোখে ঠুলি বেঁধে থেকো না। কান দিয়ে দেখো না।”

    রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূলের বিপর্যয়ের কারন হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি স্বজনপোষণকেই দায়ী করতে চেয়েছেন প্রিয়দর্শিনী। পরিবারতন্ত্র নিয়ে আক্রমণ করতে গিয়ে প্রিয়দর্শিনী হাকিম টেনে এনেছেন রামায়ণ ও মহাভারতের প্রসঙ্গ।

    প্রসঙ্গত, ফিরহাদ হাকিম যে কোনওদিনই তৃণমূলের সেনাপতি অভিষেকের বৃত্তে ছিলেন না, তা রাজনৈতিক মহলের সর্বজনীনবিদিত। দলের বয়সের উর্ধ্বসীমা নিয়ে অভিষেকের নির্দেশ নিয়ে সওয়াল করেছিলেন ‘বিদ্রোহী’ ববি। ছাব্বিশের নির্বাচনে বাংলার মানুষ তৃণমূলকে বাইরের দরজা দেখালেও কলকাতা বন্দর আসন থেকে বিজেপির রাকেশ সিংকে পরাজিত করে জয়লাভ করেছেন কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। ভোট পরবর্তী ক্ষোভ নিয়ে অস্তিত্বের আগুনে এবার ঘি ঢাললেন ফিরহাদ কন্যাও।
  • Link to this news (প্রতিদিন)