• মহানাটকের পর অবশেষে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন থালাপতি বিজয়, মঞ্চে রাহুলও
    এই সময় | ১০ মে ২০২৬
  • টানা পাঁচ দিন ধরে নানা জল্পনা, নাটকীয় পটপরিবর্তনের পর অবশেষে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন থালাপতি বিজয়। ১৯৬৭ সাল থেকে ডিএমকে কিংবা এডিএমকে-র হাতেই গিয়েছে সে রাজ্যের রাশ। এই প্রথম ওই দুই দলের বাইরে কোনও নতুন দলের উত্থান হল তামিলনাড়ুতে।

    সরকার গঠনের প্রশ্নে শনিবার ভিসিকে ও আইইউএমএল বিজয়ের দল টিভিকে-কে সমর্থনের কথা ঘোষণা করার পরেই যাবতীয় অনিশ্চয়তা কেটে যায়। রাজ্যপাল আর এস আরলেকরের কাছে গিয়ে সমর্থনকারী বিধায়কদের চিঠি পেশ করেন বিজয়। তার পরেই তাঁকে সরকার গড়তে আহ্বান করেন রাজ্যপাল। সেই মতো রবিবার চেন্নাইয়ের নেহরু স্টেডিয়ামে শপথ নিলেন বিজয়। মঞ্চে হাজির ছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও। বিজয়ের সঙ্গে শপথ নিলেন আরও ৯ জন টিভিকে নেতা।

    এ বারের নির্বাচনে টিভিকে ১০৮ আসন জিতে একক বৃহত্তম দল হয়েছে। কিন্তু সরকার গঠনের জন্য যে ১১৮ আসন প্রয়োজন, তা বিজয়ের ছিল না। তাই দু’বার সরকার গড়ার দাবি জানালেও রাজ্যপাল তাঁকে ফিরিয়ে দেন। তারই মাঝে তলে তলে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করে ডিএমকে। সূত্রের খবর, রাজনৈতিক তিক্ততাকে দূরে সরিয়ে এডিএমকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ডিএমকে নেতৃত্ব। কিন্তু তাঁদের কাছেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল না। সেই কারণে ভিসিকে প্রধান থোল তিরুমাভালানকে মুখ্যমন্ত্রী করে তাঁর দুই বিধায়কের সমর্থন জোগাড়ের চেষ্টা করে ডিএমকে। কিন্তু তাতে প্রবল আপত্তি জানায় এডিএমকে। বিজয়কে সরকার গঠনে সমর্থনের হুঁশিয়ারি দেন দলের প্রায় ৩০ জন জয়ী প্রার্থী। ঘটনাচক্রে, তার পরেই আইইউএমএল ও ভিসিকে বিজয়কে সমর্থনের কথা ঘোষণা করে।

    ডিএমকে-র সঙ্গে জোট ছেড়ে বেরিয়ে সরকার গড়ার প্রশ্নে টিভিকে-কে সমর্থন করার কথা আগেই জানিয়েছিল কংগ্রেসের পাঁচ বিধায়ক। সমর্থন জানান ৪ বাম বিধায়কও। তাতেও বিজয় ও জোট সঙ্গীদের বিধায়ক সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ১১৬-এ, কারণ, বিজয়কে তাঁর জেতা দু’টি আসনের একটি ছেড়ে দিতে হবে। শনিবার দুপুরের পরে এই মহানাটকের যবনিকা পড়ে। আইইউএমএল ও ভিসিকে বিজয়কে সমর্থন করার ফলে ম্যাজিক ফিগার ছুঁয়ে ফেলেন বিজয়। বর্তমানে তাঁর কাছে ১২০ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে।

  • Link to this news (এই সময়)