উধাও নেতা-কর্মীরা, ফলতায় এজেন্ট বসানোর লোক খুঁজে পাচ্ছে না তৃণমূল
বর্তমান | ১০ মে ২০২৬
সংবাদদাতা, বজবজ: ‘বিধানসভা ভোটের কয়েকদিন আগে পুজালিতে এক রোড’শো শেষে পদ্ম শিবিরকে ব্যঙ্গ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন— ওদের বুথে বুথে এজেন্ট বসানোর লোক খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এখানে যে ক’জন গেরুয়া দলের অনুগত আছেন, তাঁদের বলছি, বিজেপিতে নয়, অন্য যে কোনো দলের প্রার্থীকে ভোট দিন। তাতে ভোটটা অন্তত নষ্ট হবে না। আগামী ২১ মে ফলতায় ভোট। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এই কেন্দ্রের ২৮৩টি বুথের একটিতেও এখন এজেন্ট বসানোর লোক খুঁজে পাচ্ছে না তৃণমূল। এটাই পরিহাস।
ফলতায় অধিকাংশ জায়গাতেই তৃণমূলের দলীয় অফিসের ঝাঁপ বন্ধ। পতাকা নিয়ে বেরনোর লোক নেই। চারদিকে শুধুই পদ্মের পতাকা উড়ছে। তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান অন্তরালে। জনরোষের ভয়ে তাঁর দলের বুথ থেকে ব্লক, গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, কর্মাধ্যক্ষ— কারওরই খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। পরিস্থিতি দেখে নিজেই অবাক ফলতার বিজেপি প্রার্থী প্রার্থী দেবাংশু পান্ডা। ভোট ময়দানে তৃণমূল নেই। এই সুযোগে ফাঁকা মাঠে একাই প্রচার করে চলেছেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর কথায়, ভোট হল একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা। সেখানে সব দলেরই অংশগ্রহণ দরকার। কিন্তু এলাকায় তৃণমূলের কোনো নেতা এমনকি, বুথ কমিটির লোকজনকেও দেখা যাচ্ছে না। বিজেপি হামলা বা আক্রমণ নয়, রাজনৈতিকভাবে প্রতিপক্ষকে মোকাবিলায় বিশ্বাসী। তবে গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ফলতা সহ ডায়মন্ডহারবারে জাহাঙ্গির খান মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়েছে, তা সকলেই জানেন। তার অত্যাচারে ফলতায় বিজেপির দেড়শোরও বেশি সমর্থক ঘরছাড়া। মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে জেল খাটানো হয়েছে আমাদের দলের শতাধিক নেতা-কর্মীকে। দেবাংশু পান্ডা বলেন, এবারের ভোটে ২৯ এপ্রিলের আগে বিরোধীদের প্রচার করতে দেয়নি জাহাঙ্গির। কোথাও আমাদের নির্বাচনি অফিস খুলতে দেয়নি। এলাকার ত্রাস এই তৃণমূল প্রার্থীর কারণেই দেওয়াল লেখা, ফেস্টুন টাঙানো যায়নি এতদিন। ভোটের দিন প্রহসন হয়েছিল। কমিশন গোটা কেন্দ্রের নির্বাচন বাতিল ফের ভোটের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় স্বস্তি পেয়েছেন এলাকার মানুষ।
ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের সিপিএম প্রার্থী শম্ভু কুর্মী বলেন, জাহাঙ্গিরের অত্যাচারে বহু মানুষ ঘরছাড়া। আমাকেও বাড়িছাড়া করেছিল সে ও তার দলবল। এবার প্রার্থী হওয়ার পর শুধু বুড়ুলে একদিন প্রচার করতে পেরেছি। অন্যত্র প্রচারই করতে