• মন্ত্রিসভায় জায়গা অশোক কীর্তনিয়ার, উচ্ছ্বাসে ভাসলেন বনগাঁবাসী
    বর্তমান | ১০ মে ২০২৬
  • সংবাদদাতা, বনগাঁ: শনিবার মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়া। ফলে বনগাঁ জুড়ে উৎসবের আমেজ। মতুয়াদের মধ্যেও খুশির হাওয়া। এদিন শপথ গ্রহণ শেষে বিকালে বনগাঁয় ফেরেন মন্ত্রী। বনগাঁ শিকদারপল্লি থেকে হুডখোলা গাড়িতে মিছিল করে বাড়িতে আসেন। বহু কর্মী সমর্থক মিছিলে অংশ নেন।

    এদিকে, রাজ্যে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় অশোক কীর্তনিয়া জায়গা পাওয়ায় আশায় বুক বাঁধছেন মতুয়ারা। তাঁদের দাবি, মন্ত্রী আমাদের নাগরিকত্বের জন্য উদ্যোগী হোন। বিমল বিশ্বাসের মতো স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এসআইআরে অনেক মতুয়ার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে। সিএএ সরলীকরণের মাধ্যমে তাঁদের নাম তুলতে হবে। এছাড়া ইছামতী নদী সংস্কার ও যশোর রোড সম্প্রসারণ করতে হবে বনগাঁবাসীকে জল ও যানযন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে হবে। এলাকাবাসীদের দাবি, এই বিষয়গুলি নিয়ে উদ্যোগী হন মন্ত্রী অশোকবাবু। আর অশোকবাবু বলেন, মন্ত্রী হয়েছি এটা আনন্দের। তবে দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল। তৃণমূল সরকার ৫ বছর আমাকে কাজ করতে দেয়নি। এবার মানুষের জন্য কাজ করব।

    ২০২১ সালে বিজেপির প্রার্থী হয়ে রাজনীতিতে প্রবেশ অশোক কীর্তনিয়ার। ভোটে জিতে বিধায়ক হন। এবারও রেকর্ড ভোটে জয়ী হন তিনি। শনিবার মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। ছোটবেলা বাবা-মায়ের সঙ্গে বনগাঁর পাইকপাড়ায় বসবাস শুরু করেন। স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে কলেজ পাশ। ছোটবেলা কেটেছে অভাবে। এদিন ছেলের মন্ত্রী হওয়ার আনন্দে আশির দোরগোড়ায় দাঁড়ানো মায়ের চোখে জল। মা অহল্যা কীর্তনিয়া বলেন, ছোটবেলা অভাবে কেটেছে। ছেলে এখন মন্ত্রী। আমি চাই সারাজীবন মানুষের জন্য কাজ করুক ছেলে। এদিন স্বামীর মন্ত্রী হওয়ার খবর শুনেই কালীতলা মন্দিরে পুজো দিতে যান স্ত্রী মৌমিতা কীর্তনিয়া। খাদ্যরসিক মন্ত্রীর জন্য বাড়িতে রান্না হয়েছে ভালো ভালো পদ। মৌমিতা বলেন, আগে বিধায়কের স্ত্রী ছিলাম। এখন মন্ত্রীর স্ত্রী। আমারও দায়িত্ব বেড়ে গেল।
  • Link to this news (বর্তমান)