নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শুভেন্দু অধিকারীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ব্রিগেডে উপস্থিত টলিউডের জনপ্রিয় কিছু মুখ। মিঠুন চক্রবর্তী, পাপিয়া অধিকারী, রুদ্রনীল ঘোষ, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, শর্বরী মুখোপাধ্যায়রা যে উপস্থিত থাকবেন তা একপ্রকার জানাই ছিলই। কিন্তু চমক দিল জিৎ, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, যিশু সেনগুপ্তদের উপস্থিতি।
টলিউডের অন্দরে সবথেকে বেশি চর্চা চলছে জিৎ-কে নিয়ে। তাঁকে সাধারণত কোনো রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে দেখা যায় না। রাজনীতি এড়িয়ে থাকতেই তিনি পছন্দ করেন বলে অভিমত দিতেন তাঁর ঘনিষ্ঠরা। জিৎ প্রকাশ্যে রাজনৈতিক বক্তব্যও পেশ করেন না। ফলে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখার পর স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হয়েছে জল্পনা। জনপ্রিয় এই অভিনেতা কি তাঁর রাজনৈতিক পথচলা শুরু করতে চলেছেন, এই ধরনের গুঞ্জনও তৈরি হচ্ছে। অনেকে আবার মনে করিয়েছেন, নির্বাচনে বিজেপি জয়লাভ করার পর শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন জিৎ।
চলতি বছর পদ্মশ্রী পেয়েছেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। পদ্মশ্রী প্রাপকদের বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল বিজেপি। প্রসেনজিৎ ভক্তদের বক্তব্য, সেই আমন্ত্রণই রক্ষা করেছেন প্রসেনজিৎ। তিনি সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গেই সৌজন্যের সম্পর্ক বজায় রাখেন। বিধানসভার ফলপ্রকাশের পর রুদ্রনীল ঘোষের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেছিলেন। তখনও জল্পনা ছড়িয়েছিল। প্রসেনজিৎ অবশ্য বলেছিলেন, ‘আমার গায়ে কোনো রাজনৈতিক রং লাগাবেন না।’ এই দুই জনপ্রিয় অভিনেতার পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন পদ্মশ্রী মমতা শংকর। ছিলেন যিশু সেনগুপ্ত, পায়েল সরকার, ঋষি কৌশিক, পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী, পণ্ডিত তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার সহ একাধিক তারকা। তৃণমূল আমলে টলিপাড়ার বহু স্টারকে দেখা যেত সরকারি অনুষ্ঠানের মঞ্চে। চলতি বছর বিধানসভা নির্বাচনে দলের প্রার্থীদের প্রচারেও বহু তারকা অংশ নিয়েছিলেন। সেই সংস্কৃতি বিজেপি সরকারের আমলেও কি থাকবে, এই দিকে তাকিয়ে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের ভক্তরা।