ভোটে একসঙ্গে লড়েছে ঠিকই। কিন্তু ফলপ্রকাশের পরেই এমকে স্ট্যালিনের দল ডিএমকে-র সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে থালাপতি বিজয়ের দল টিভিকে-র সঙ্গে হাত মিলিয়েছে কংগ্রেস। বিজয়ের নেতৃত্বাধীন সরকারেও যোগ দিয়েছে। তা নিয়ে এ বার কংগ্রেসকে তুলোধোনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাহুল গান্ধীর দলকে ‘পরজীবী এবং বিশ্বাসঘাতক’ বলেও কটাক্ষ করেছেন। প্রসঙ্গত, রবিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয়ের শপথের মঞ্চে রাহুলও উপস্থিত ছিলেন।
বিজয় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মোদীও। রবিবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে মোদী লেখেন, ‘তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ায় থিরু সি. জোসেফ বিজয়কে অভিনন্দন। আগামীর জন্য শুভকামনা রইল। জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে কেন্দ্রীয় সরকার তামিলনাড়ু সরকারের সঙ্গে কাজ করে যাবে।’ এর পরেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, যে ডিএমকে বার বার কংগ্রেসকে সঙ্কট থেকে উদ্ধার করেছে, ক্ষমতার লালসায় মত্ত হয়ে প্রথম সুযোগ পেয়েই সেই দলের পিঠে ছুরি মেরেছে কংগ্রেস।
মোদী বলেছেন, ‘প্রকৃতপক্ষে ২০১৪ সালের আগের ১০ বছর কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন সরকার মূলত ডিএমকে-র সমর্থনেই টিকে ছিল। যে ডিএমকে নিরন্তর কংগ্রেসের ভালোর জন্য কাজ করে গিয়েছে, রাজনীতির হাওয়া বদলাতেই তাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হলো।’ রাজনৈতিক ভাবে প্রাসঙ্গিক থাকার জন্য কংগ্রেসের এখন অন্য দলকেই প্রয়োজন বলেও দাবি করেছেন মোদী।
প্রসঙ্গত, স্ট্যালিনের বোন তথা লোকসভার ডিএমকে-র নেত্রী শুক্রবার কানিমোঝি স্পিকারকে চিঠি লিখেছেন। জানিয়েছেন, তাঁরা আর কংগ্রেসের পাশে বসতে চান না। তাঁদের আসন বদলানো হোক। কংগ্রেসের সঙ্গে ডিএমকে সম্পর্ক ছিন্ন করায় তাদের এই সিদ্ধান্তের ফলে ভবিষ্যতে মোদী সরকার লোকসভায় ‘ঐক্যবদ্ধ বিরোধিতা’ এড়াতে পারবে বলে মনে করছেন অনেকেই। প্রসঙ্গত, ২০১৪-র লোকসভা ভোটের আগে হঠাৎই কংগ্রেসের সঙ্গ ছেড়েছিল ডিএমকে। এ বার একই কাজ করেছে রাহুল গান্ধী-মল্লিকার্জুন খড়্গের দল।