• 'রাস্তায় দাঁড়িয়ে গোমাংস খাওয়া বন্ধ করতে হবে', মন্ত্রী হয়েই জানিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষের
    আজ তক | ১০ মে ২০২৬
  • বাংলায় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট যেমনই থাকুক না কেন, একটি দৃশ্যের কোনও বদল হয়নিI ইকো পার্কের দিলীপ ঘোষের মর্নিং ওয়াক। তবে রবিবারের মর্নিং ওয়াক ছিল একদম অন্যরকম। এদিন আর BJP নেতা নয়, মর্নিং ওয়াকে এসেছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। সঙ্গে ছিলেন পত্নী রিঙ্কু মজুমদারও। ইডলি আর দই বড়া খাইয়ে তাঁদের অভ্যর্থনা জানালেন দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। Aaj Tak-এর সঙ্গে কথোপকথনে দিলীপ জানালেন, মন্ত্রী হিসেবে কী কী কাজ করতে চান তিনি। কী কী প্ল্যানিং রয়েছে তাঁর? 

    পুরনো কথা মনে করে দিলীপ এদিন বলেন, 'এই ইকো পার্কেই আমি আসতাম বলে ভিতরে ক্যামেরা এন্ট্রি বন্ধ করে দিয়েছিল তৃণমূল সরকার। চা খেতাম বলে চা-এর দোকান বন্ধ করে দিয়েছিল। গল্ফ কোর্ট বন্ধ করে দিয়েছিল। আমরাও দৃঢপ্রতিজ্ঞ ছিলাম, বাংলায় BJP সরকার আসবেই। আজ BJP এসেছে, দেখুন আমরা ইকো পার্কের ভিতরে রয়েছি।' তিনি আরও বলেন, 'আমাদের প্রধানমন্ত্রী ফিট, আমি ফিট। এবার রাজ্যকেও ফিট করে দেব।'

    BJP সরকার তৈরি হওয়ার পরই বাংলার পরিবেশ ধীরে ধীরে পরিবর্তন হচ্ছে বলে দাবি করলেন দিলীপ। তিনি বলেন, 'গুণ্ডারা বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা তো কেউ কেউ তাঁদের স্ত্রী সংসার ফেলে চলে দিয়েছে।' মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সামনে। এবার তাঁর কী কী পরিকল্পনা রয়েছে? 

    দিলীপ ঘোষ বলেন, 'মানুষের মধ্যে ভরসা তৈরি হয়েছে। সেটাই অটুট রাখতে হবে। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যাতে বাংলার মানুষ নিরাপদ বোধ করেন, শান্তিতে বাস করতে পারেন।' তাঁর সংযোজন, 'রামনবমীতে অঞ্জলি দিতে পারতেন না মানুষ। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে, এমনটা যেন আর না হয়। আমরা দেখেছি খোলা রাস্তায় দাঁড়িয়ে গোরুর মাংস খাওয়া হচ্ছে। এগুলো যাতে বন্ধ হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। সমস্ত অনুপ্রবেশকারীদের রাজ্য থেকে তাড়ানো হবে। যে সমস্ত শ্রমিকরা হিংসার শিকার হয়ে রাজ্য ছেড়েছেন, তাঁরা আবার যাতে ফিরে আসেন, তা দেখতে হবে।'

    এদিন ইকো পার্কের সেলিব্রেশনে স্বামী দিলীপ ঘোষের সঙ্গে সামিল হয়েছিলেন স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদারও। Aaj Tak-কে তিনি বলেন, 'আমাদের দেশ যাতে বিদেশের মতো হয়ে ওঠে, তা সকলেরই ইচ্ছা। কিন্তু সেই ইচ্ছেপূর্ণ হবে বাংলার উন্নয়ন হলে। আর BJP সরকার সেই উন্নয়নই করবে।' অন্যান্য দিনের তুলনায় এদিনের ইকো পার্কের পরিবেশটা অন্যরকম বলেই অনুভব করছেন রিঙ্কু। তিনি বলেন, 'আজকের হাওয়া অনেক মুক্ত, অনেক স্বাধীন।' 

    স্বামী মন্ত্রী হয়েছেন, কোন কাজ তাঁকে দিয়ে করাতে চান রিঙ্কু? স্ত্রীর দাবি, খড়গপুর সহ যে সমস্ত এলাকায় খাবার জল পৌঁছয় না ঠিকমতো, সেটা আগে দেখতে হবে। একইসঙ্গে তৃণমূল আমলের কাটমানি, তোলাবাজি বন্ধ তরে সাধারণ মানুষের হয়রানির সমাপ্তি ঘটাতে হবে বলেও মত রিঙ্কুর। 

     
  • Link to this news (আজ তক)