প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হত্যার ছক! বেঙ্গালুরুতে মোদির কনভয় যে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার কথা ছিল সেই পথ থেকে উদ্ধার হয়েছে বিস্ফোরণে ব্যবহৃত জিলেটিন স্টিক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমে এক সন্দেহভাজন যুবককে আটক করেছে পুলিশ। কীভাবে ওই জিলেটিন স্টিক ওখানে এল তা জানার চেষ্টা চলছে। নেপথ্যে বড় কোনও ষড়যন্ত্র ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে তদন্তকারীদের তরফে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার বেঙ্গালুরুতে আর্ট অফ লিভিং সেন্টারে এক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। এই যাত্রাপথে কাগ্গালিপুরা এলাকার থাথাগুনির কাছ থেকে উদ্ধার ঝয় জিলেটিন স্টিক। জানা যাচ্ছে, মোদি ওই পথে যাওয়ার আগে পুলিশের কাছে সন্দেহজনক একটি ফোনকল আসে। তার ভিত্তিতেই শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। এবং রাস্তার ধার থেকেই উদ্ধার হয় জিলেটিন স্টিক। মোদির কনভয়ে বিস্ফোরক উদ্ধারের মতো ঘটনায় হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।
পুলিশের দাবি অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তি রবিবার ভোরে স্থানীয় থানায় ফোন করেছিলেন। সেখানে এইচএএল এবং আর্ট অফ লিভিং সেন্টারে বিস্ফোরণের আশঙ্কা প্রকাশ করেন। যার জেরেই ব্যাপক পরিসরে শুরু হয়েছিল তল্লাশি। ঘটনার পরই অভিযুক্তকে কোরামাঙ্গালায় তাঁর বাড়ি থেকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। এইচএএল বিমানবন্দরের কাছে সন্দেহজনক কিছু না পাওয়া গেলেও দ্বিতীয় টার্গেট থেকে উদ্ধার হয় জেলাটিন স্টিক। এই পথেই যাওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। ঘটনায় ডেপুটি পুলিশ কমিশনারের তরফে জানানো হয়েছে, আমরা গোটা ঘটনার তদন্ত করছি। বিস্ফোরকগুলো কীভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছালো, কারা সেগুলো সরবরাহ করেছিল এবং সেখানে বিস্ফোরক রাখার জন্য কেউ অভিযুক্তকে নির্দেশ দিয়েছিল কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি তাঁর মা ও বাবাকেও জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের তরফে জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি এর আগেও বেঙ্গালুরুতে ভিআইপিদের সফরের সময় একই রকম দাবি করে থানায় ফোন করেছেন। যার জেরে অতীতেও তাঁকে আটক করা হয়েছিল। পড়ে তাঁর মানসিক সমস্যা রয়েছে জানতে পেরে পুলিশ তাঁকে ছেড়ে দেয়। তবে এবার মোদির যাত্রাপথে বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছেন তদন্তকারীরা।