সোমবার নতুন সরকারের প্রথম কর্মদিবস। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথম নবান্নে পা রাখবেন শুভেন্দু অধিকারী। বেলা ১২টায় নতুন মন্ত্রিসভার বৈঠক করবেন তিনি। রাজ্যের ‘নবনির্মাণ’-এর জন্য কী করণীয়? তার প্রথম ব্লু প্রিন্ট তৈরি হবে সোমবার থেকেই বলে মত রাজনৈতিক মহলে। নীল-সাদা রঙের নবান্নকে রবিবার রাতেই গেরুয়া রঙের আলোয় সাজিয়ে তোলা হয়েছে। নতুন ভোরের অপেক্ষা।
শুভেন্দু অধিকারী ছাড়া শনিবার মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছে দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, ক্ষুদিরাম টুডু, নিশীথ প্রামাণিক এবং অশোক কীর্তনিয়া। তবে কে কোন দপ্তর পাচ্ছেন সে ব্যাপারে সরকারি ভাবে কিছু জানানো হয়নি। পাঁচ মন্ত্রীর সঙ্গে সোমবার বৈঠক করার কথা রয়েছে তাঁর।
এর পাশাপাশি রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে সোমবার বৈঠক করতে পারেন শুভেন্দু। পাশাপাশি প্রতিটি জেলাশাসকের সঙ্গেও একপ্রস্থ বৈঠক হতে পারে বলে নবান্ন সূত্রে খবর।
রবিবারই নতুন বিধায়কদের শপথগ্রহণ পর্ব ঘিরে তৎপরতা শুরু হয়েছে বিধানসভায়। আগামী বুধবার, বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার— টানা তিন দিন ধরে নবনির্বাচিত বিধায়কদের শপথবাক্য পাঠ করানো হবে বলে বিধানসভা সূত্রে খবর। তার আগে মঙ্গলবার নির্বাচিত হবেন প্রোটেম স্পিকার। রাজ্যপাল রবীন্দ্র নারায়ণ রবি শপথবাক্য পাঠ করাবেন।
শনিবার সন্ধ্যায় গোটা নবান্ন বিল্ডিংয়ে গেরুয়া রঙের আলোকসজ্জা করা হয়। পথচলতিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে গঙ্গা পারের এই প্রশাসনিক ভবন। বিজেপি সরকার গঠনের পর প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক পরিবেশের পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবেও এই দৃশ্যকে দেখছেন অনেকে। সন্ধ্যা নামতেই পুরো সচিবালয় চত্বর গেরুয়া আলোয় ঢেকে যায়। বিদ্যাসাগর সেতু ও আশপাশের এলাকা থেকে বহু মানুষ এই নতুন রূপ প্রত্যক্ষ করেন। অনেকে আবার মোবাইল ফোনে সেই মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দিও করেন।