বাংলায় বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শনিবার শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেই রাতে কাঁথির বাড়ি শান্তিকুঞ্জে পৌঁছলেন বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী। ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক তথা মুখ্যমন্ত্রীকে ঘিরে মধ্যরাতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন দলের কর্মী, সমর্থকরা। রবিবারও শান্তিকুঞ্জের সামনে দেখা গেল ভিড়। ফুলের স্তবক হাতে জড়ো হয়েছিলেন বহু মানুষ। রবিবার বিকেলে শান্তিকুঞ্জ থেকে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন শুভেন্দু। এরমাঝে দুপুরে বাড়িতে লাঞ্চ করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।
কী কী খেতে ভালবাসেন শুভেন্দু?
মা গায়েত্রী অধিকারী আগেই জানিয়েছিলেন খাওয়া-দাওয়া নিয়ে তেমন কোনও বাছবিচার নেই শুভেন্দুর। তবে ইলিশের ভাপা কিংবা ইলিশের ভাজা তাঁর বড়ই প্রিয়। শুভেন্দুর মা জানান, 'বাড়িতে সকালে টিফিন করে সবজি রুটি ফল। বাইরে গেলে কী করে জানি না…ঘরে এমনই খায়। গরমকালে রাতে আলুভাতে, জল ঢালা ভাত খায়। এছাড়া মাছ ভাজা…পোস্ত-ডালও খায়। ইলিশ মাছ হলে খুব ভাল খায়। ইলিশ ভাপা কিংবা ভাজা খেতে ভালবাসে…।'
শান্তিকুঞ্জে রবিবার দুপুরে কী খেলেন শুভেন্দু?
শুভেন্দুর জন্য এদিন মা গায়েত্রী অধিকারী ও মাসি মিলে একাধিক পদের আয়োজন করেন। জানা গিয়েছে, এদিন মধ্যাহ্নভোজে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রীর পাতে ছিল মোচার ঘণ্ট, সর্ষে ইলিশ, পোনা কালিয়া, করলা সেদ্ধ, মুরগির মাংস। শেষ পাতে ছিল টক দই।
প্রসঙ্গত, শনিবার রাত ২টো নাগাদ (দিন হিসাবে রবিবার) শান্তিকুঞ্জে পৌঁছোন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী। কাঁথি সেন্ট্রাল পেরিয়ে থিকথিকে ভিড়ের মধ্যে দিয়ে শান্তিকুঞ্জে প্রবেশ করেন তিনি। তাঁকে ঘিরে সকলের গলায় তখন শোনা যাচ্ছে, ‘বুবাইদা জিন্দাবাদ’। এর পরেই পুরনো মেজাজে গাড়ি থেকে নেমে প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁদের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন। তাঁদের বুবাইকে পেয়ে খুশি প্রতিবেশীরাও।
রবিবার বিকেল পর্যন্ত বাড়িতেই কাটান শুভেন্দু। উল্লেখ্য, গত কয়েকমাস রাজ্যজুড়ে প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ফলে পরিবারের সঙ্গে তেমন সময় দিতে পারেননি। তবে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম দিন বাড়ির লোকদের সঙ্গেই থাকলেন শুভেন্দু। জানা যাচ্ছে সকালে ঘুম থেকে উঠে মা গায়েত্রী দেবী, বাবা শিশির অধিকারী ও মাসি মুক্তি ভট্টাচার্যকে প্রণাম করেন বাড়ির মেজো ছেলে শুভেন্দু।