• বাগদা-বনগাঁ রেলপথের কাজ কি শুরু হবে? ডবল ইঞ্জিন সরকারের দিকে তাকিয়ে মানুষ
    বর্তমান | ১১ মে ২০২৬
  • সংবাদদাতা, বনগাঁ: পথ চলা শুরু নতুন সরকারের। বাগদার বাসিন্দাদের প্রশ্ন, ‘ডবল ইঞ্জিন সরকারের আমল শুরু হল। এবার কি শুরু হবে বাগদা-বনগাঁ রেলপথের কাজ?’

    এই রেলপথ তৈরির দাবি দীর্ঘদিনের। ২০০৯ সালে দ্বিতীয় ইউপিএ সরকারের আমলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন এই রেলপথের কথা ঘোষণা করেন। প্রকল্পটির শিলান্যাসও হয়। সূত্রের খবর, ২০০৯ সালে ৫৭ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছিল রেলপথের জন্য। কিন্তু জমিজটের কারণে ২০১৯ সালে তা যায় বন্ধ হয়ে। এবার বিধানসভা ভোটের আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর সোশ্যাল মিডিয়া মারফত জানিয়েছিলেন, বনগাঁ-পোড়ামহেশতলা, বনগাঁ-চাঁদা এবং চাঁদাবাজার-বাগদা রেলপথের অনুমোদন দিয়েছে রেলমন্ত্রক। তারপর নতুন করে আশায় বুক বাঁধা শুরু করে বাগদা। এবার ভোটে বিজেপির অন্যতম ইস্যুই ছিল এই রেলপথ তৈরি। বিজেপি একাধিকবার অভিযোগ করেছে, রাজ্যের তরফে জমি সমস্যা না মেটায় রেলপথের কাজ করা যাচ্ছে না। এখন রাজ্যে বিজেপি জিতে সরকারে এসেছে। এবার বাগদাবাসীর দাবি, ‘এখন তো ডবল ইঞ্জিন সরকার। ফলে জমিজট কাটিয়ে দ্রুত রেলপথের কাজ শুরু হোক।’  

    অমিয় বিশ্বাস নামে বাগদার এক বাসিন্দা বলেন, ‘শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য বা অন্যান্য যে কোনো প্রয়োজনে আমাদের কলকাতা যেতে হয়। বাগদা থেকে প্রায় ৩০ কিমি দূরে বনগাঁ গিয়ে ট্রেন ধরতে হয়। রাস্তাতেই কেটে যায় দিনের বেশিরভাগ সময়। যাতায়াতের প্রচুর খরচ। বাগদা রেলপথে যুক্ত হলে সময় ও খরচ বাঁচবে।’ এছাড়াও কয়েকজনের বক্তব্য, ‘বাগদা-বনগাঁ রেলপথ চালু হলে সীমান্তবর্তী ও গ্রামীণ এলাকার সঙ্গে শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও মজবুত হবে। ব্যবসা, কৃষি ও ছোট শিল্পের উন্নতিতে গতি আসবে। ছাত্র-ছাত্রী ও কর্মজীবী মানুষের পথযাত্রা সহজ হবে।’ বাগদার বিজেপি বিধায়ক সোমা ঠাকুর বলেন, ‘কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর বাগদা-বনগাঁ রেলপথ চালুর চেষ্টা করেছেন। জমিজটে এতদিন তা সম্ভব হয়নি। এবার বিজেপি সরকারে এসেছে। মন্ত্রিসভার শপথের পরই আমি বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগ নেব।’
  • Link to this news (বর্তমান)