• সীমান্তে 'অনুপ্রবেশ' ইস্যুর মাঝেই দিল্লির সঙ্গে বন্ধুত্ব চাইছে ঢাকা, বার্তা তারেকের উপদেষ্টার
    আজ তক | ১১ মে ২০২৬
  • প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ইতিমধ্যেই অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর দল বাংলাদেশ আওয়ামী লিগ ৷ এদিকে বাংলাদেশ সরকারের তরফে এখনও কোনও বার্তা দেওয়া হয়নি ৷ তবে পশ্চিমবঙ্গের বিধান সভা নির্বাচনের ফলাফলে ‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক বাধাগ্রস্ত হবে না’ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর তথ্য সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ-উর রহমান। রবিবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একজন  উপদেষ্টা বলেছেন, ঢাকা নয়াদিল্লির সঙ্গে 'বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক' চায়। সেইসঙ্গে গত সপ্তাহে ভারত সীমান্তে দুই বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনায় তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। 

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাতে ত্রিপুরার সেপাহিজালা জেলায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গুলিতে দুই সন্দেহভাজন বাংলাদেশি চোরাকারবারি নিহত হন। বিএসএফ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে কমলাসাগর সীমান্ত চৌকি দিয়ে তাদের মরদেহ আত্মীয়দের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এই নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেন, 'আমরা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাই, কিন্তু সীমান্ত বারবার রক্তাক্ত হলে সুসম্পর্ক বজায় রাখা যায় না।'ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের জাতীয় সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে রিজভী দুই সন্দেহভাজন চোরাকারবারি হত্যার কথা উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, 'গতকালও (শনিবার) ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে দুজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।'

    শাসক দল বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টির (বিএনপি) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী বলেন, ভারতের জনগণও এমন ঘটনা দেখতে চায় না।  সাম্প্রতিক পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের প্রসঙ্গে বিএনপি নেতা বলেন, এটি ভারতীয় জনগণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার 'সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিষয়'।

    প্রসঙ্গত, রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পরই ফোকাসে রয়েছে অনুপ্রবেশ ইস্যু। ইতিমধ্যেই আরও একবার এনিয়ে হুঙ্কার ছেড়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সীমান্তে 'অনুপ্রবেশ' রুখতে কাঁটাতার বসানো নিয়ে  সম্প্রতি বড় বার্তা দিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক নিশীথ প্রামাণিকও। সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে তিনি বলেন, এইবার বাংলার মানুষ যেভাবে আমাদের সমর্থন করেছে, রাজ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে, এখুনই  সাড়ে ৪০০ কিমি জমি অধিগ্রহণ করা হবে। এবং কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে এবার তা সপে দেওয়া যাবে। যাতে যতটা কাঁটাতার বিহীন এলাকা আছে, সেখানে বেড়া দেওয়া যায়। এবং দেশের আন্তঃ নিরাপত্তাকে আরও মজবুত করা যায় এবং দেশের সীমান্তকে আরও শক্তিশালী করা যায়।'
     
    অমিত শাহ বলেছেন,  'ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতিশ্রুতি, শুধু বাংলাই নয়, গোটা দেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে খুঁজে দেশ থেকে তাড়াব আর দেশকে অনুপ্রবেশকারীমুক্ত করবে। এটা দেশের সুরক্ষার প্রশ্ন। আমি বিশ্বাস দিতে চাই,  পশ্চিমবাংলার সীমানাকে সুরক্ষিত করে, ভারতকে সুরক্ষিত করব। শুধু বাংলা নয়, দেশ থেকে খুঁজে খুঁজে অনুপ্রবেশকারীদের তাড়ানো হবে।'
  • Link to this news (আজ তক)