• স্বঘোষিত পদ্ম-কর্মীদের দাপটে নেতৃত্বই বিস্মিত
    এই সময় | ১১ মে ২০২৬
  • এই সময়, দুর্গাপুর: ক্ষমতায় আসার পরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জোরের সঙ্গে ঘোষণা করেছিলেন, বিজেপির 'তৃণমূলীকরণ' হবে না। আগামী এক মাস তৃণমূল থেকে কাউকে দলে নেওয়া যাবে না। আনুষ্ঠানিক ভাবে তৃণমূল থেকে কাউকে না-নেওয়া হলেও এখন সবাই 'স্বঘোষিত বিজেপি'। গেরুয়া আবির মেখে, হাতে ঝান্ডা নিয়ে চতুর্দিকে শুধুই বিজেপির কর্মী। যেমনটা ২০১১-তে রাজ্যে পালাবদলের পরে চারপাশে দেখা গিয়েছিল স্বঘোষিত তৃণমূলপন্থীদের।

    ৪ মে ভোটের ফল প্রকাশের পরেই দুর্গাপুর শহরে হঠাৎ করে স্বঘোষিত বিজেপি কর্মীর সংখ্যা বেড়েছে। তারাই এখন শহর জুড়ে দাপাচ্ছে। কাউকে দেওয়া হচ্ছে হুঁশিয়ারি, কোথাও আবার কোনও ক্লাব দখল করা হচ্ছে। অচেনা মুখের সেই সারি নিজেদের বিজেপি প্রমাণ করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। যা দেখে রীতিমতো স্তম্ভিত স্থানীয় বিজেপি নেতারা।

    বাস, অটো, টোটো, গণ পরিবহণ সংস্থার ইউনিয়ান অফিসে হঠাৎ পরিবর্তন হয়েছে। বাসের মাথায় উড়ছে বিজেপির দলীয় পতাকা। সাধারণ ভাবে রামনবমী বা হনুমান জয়ন্তীতে বাজারে যে পতাকা বিক্রি হয়, তা এখন শোভা পাচ্ছে সেই অটো এবং টোটোতে। বিভিন্ন কারখানার শ্রমিক সংগঠনগুলি পর্যন্ত বিজেপির শ্রমিক সংগঠন বিএমএসের ছাড়পত্র পাওয়ার জন্য ব্যাকুল! বিএমএসের রাজ্য কমিটির সদস্য তথা দুর্গাপুর স্টিল প্লান্টের বিএমস সভাপতি অরূপ রায় বলছেন, 'যদি কেউ ভাবেন সংগঠনের কার্যালয়ের ছাদে বা বাসের ছাদে বিজেপির পতাকা লাগালে বিএমএসের ছাড়পত্র পাওয়া যাবে, তাঁরা ভুল করছেন। এ ভাবে বিএমএসের ছাড়পত্র পাওয়া যায় না। স্বঘোষিত বিএমএস কর্মী বলে কেউ যদি বিশৃঙ্খলা করেন, তা হলে পুলিশকে বলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

    এমএএমসি টাউনশিপে টি ওয়ান টাইপ এলাকায় তৃণমূলের একটি দলীয় কার্যালয় আছে। সূত্রের খবর, সেই কার্যালয়ের মূল নেতা গ্যান্ডার

  • Link to this news (এই সময়)