ছাব্বিশের নির্বাচনে রেজিনগর ও নওদা দুই আসন থেকে জয়ের পরেই বেলডাঙা ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির অফিসে তালা লাগিয়ে দিলেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির নতুন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তাঁর অভিযোগ, তৎকালীন তৃণমূল সরকারের আমলে পাড়ায় সমাধান কর্মসূচিতে ২৮ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। তৃণমূল পরিচালিত বেলডাঙা ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির নেতৃত্বে এই বেনিয়ম হয়েছে বলে দাবি তুলে অফিসে তালা লাগালেন হুমায়ুন কবীর। এই দুর্নীতির জন্য রেজিনগরের তৃণমূল প্রার্থী আতাউর রহমানকে নিশানা করেছেন তিনি।
হুমায়ুনের দাবি, গোটা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে হবে। যতক্ষণ তদন্ত শেষ না হচ্ছে ততক্ষণ পঞ্চায়েত সমিতির এই কাজের কোনও বকেয়া বিল পরিশোধ করা যাবে না। সেই কারণে তিনি অফিসে তালা লাগিয়ে চাবি নিয়ে চলে যাচ্ছেন। তৃণমূল পরিচালিত এই পঞ্চায়েত সমিতির পদাধিকারীরা যাতে কোনওভাবে অফিসে ঢুকতে না পারেন সেই কারণে এই সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সোমবার হুমায়ুনের এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বেলডাঙা ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির অফিস ও বিডিও অফিস চত্বরে তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয়। এবিষয়ে তিনি বেলডাঙা ২ নম্বর ব্লকের বিডিও-র কাছে ডেপুটেশন দেন।
হুমায়ুন বলেন, “গরিব মানুষদের পাট্টা দেওয়ার জন্য ২ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৭০ লক্ষ টাকার মাটি বিক্রি করেছেন শক্তিপুর থানার ওসি। সেই টাকা সম্পূর্ণ তাঁর পকেটেই গিয়েছে। এই দুটি বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে।”