আজকাল ওয়েবডেস্ক: সোমবার ফের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) দপ্তরে হাজিরা দিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। সঙ্গে রয়েছেন ছেলে সমুদ্র বসু এবং সুজিতের আইনজীবী। ইডি সূত্রে খবর, পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁকে তলব করা হয়েছে। সাত ঘণ্টার বেশি সময় অতিক্রান্ত ইতিমধ্যেই। কিন্তু এখনও সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে আসেননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এই একই মামলায় গত ১ মে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিয়েছিলেন তিনি।
পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি একাধিকবার তলব করেছিল ইডি। ভোটের কাজে ব্যস্ত থাকায় সেই সময় হাজিরা দিতে পারেননি। আদালতে সেই বিষয়ে জানিয়ে পরে ১ মে হাজিরা দেন। তদন্তের স্বার্থে গত বছর লেকটাউনে প্রাক্তন মন্ত্রীর দু’টি বাড়ি এবং অফিসে ম্যারাথন তল্লাশি চালিয়েছিলেন ইডি আধিকারিকরা। শুধু তাই নয়, তাঁর ছেলে সমুদ্রর ধাবাতেও তল্লাশি চালানো হয়। ইডি সূত্রে দাবি করা হয়েছিল, সেই সময় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে। এই মামলার সূত্রে সুজিত বসুর স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে ও জামাইকেও এর আগে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
গত ১ মে ৯ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পরে সিজিও থেকে বেরিয়েছিলেন সুজিত। সেই সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুজিত বলেন, “সকলেই জানেন কেন আমায় ডাকা হয়েছিল। যে বিষয়ে আমায় ডাকা হয়েছিল, সেই মামলায় সিবিআই ইতিমধ্যে চূড়ান্ত চার্জশিট দিয়ে দিয়েছে। ইডির তরফ থেকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা হয়েছিল আমায়। আমি তদন্তে সব সময় সহযোগিতা করব। আবার ডাকলে আবার আসব।”
দক্ষিণ দমদম পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় সংস্থার নজরে রয়েছেন রাজ্যের আরও এক বিধায়ক রথীন ঘোষও। তাঁর বাড়িতেও এর আগে তল্লাশি চালানো হয়েছে এবং ভোটের আগে তাঁকে ফের তলব করেছিল ইডি। এই মামলায় অন্যতম মূল অভিযুক্ত অয়ন শীলকে আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অয়নের সংস্থার মাধ্যমেই বিভিন্ন পুরসভায় নিয়োগে কারচুপি হয়েছে বলে অভিযোগ ইডির। সুজিত বসুকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তাঁর কোনো ভূমিকা ছিল কি না বা অয়ন শীলের সঙ্গে তাঁর কোনও লেনদেন হয়েছিল কি না, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা