• কোন মামলায় গ্রেপ্তার সুজিত?
    আজকাল | ১২ মে ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্কঃ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি-র দপ্তরে ম্যারাথন জেরার পর শেষমেশ গ্রেপ্তার সুজিত বসু। এদিন সকাল ১০টায় সল্টলেকে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দপ্তরে হাজিরা দিয়েছিলেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন তাঁর ছেলে সমুদ্র বসু এবং আইনজীবী। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সোমবার রাত ৯টা ১৫ মিনিটে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ইডি। বয়ানে একাধিক অসঙ্গতি এবং অসহযোগিতা করার অভিযোগ এ গ্রেফতার করা হয়েছে বলে সূত্র মারফর জানা গিয়েছে। স  

    সূত্রের খবর, পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি এই নিয়ে মোট চার বার তলব করা হয়েছিল রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। ২০২৪ সালের ১২ এপ্রিল তাঁকে প্রথমবার হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল ইডি। লেকটাউনে সুজিত বসুর দু’টি বাড়ি এবং দফতরে তল্লাশি চালানো হয়। ১৪ ঘণ্টা তল্লাশির পর উদ্ধার হয় বেশ কিছু নথি। বাজেয়াপ্ত করা হয় সুজিতের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে বেরিয়ে যান তদন্তকারীরা। তল্লাশি শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দমকলমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘‘যদি কাজের জন্য কেউ সুজিতকে এক টাকা দিয়ে থাকেন, সুজিত আজই মুখ্যমন্ত্রীকে পদত্যাগপত্র দেবে।’’ এর পর গত বছর লেকটাউনে প্রাক্তন মন্ত্রীর দু’টি বাড়ি এবং অফিসে ম্যারাথন তল্লাশি চালিয়েছিলেন ইডি আধিকারিকরা। শুধু তাই নয়, তাঁর ছেলে সমুদ্রর ধাবাতেও তল্লাশি চালানো হয়। ইডি সূত্রে দাবি করা হয়েছিল, সেই সময় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে। এই মামলার সূত্রে সুজিত বসুর স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে ও জামাইকেও এর আগে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। 

    এ বছর ৮ এবং ৯ এপ্রিল ফের ইডি-র তরফে নোটিশ পাঠানো হয়। তখন তিনি নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত থাকার কথা জানিয়ে সময় চেয়েছিলেন। আদালতে সেই বিষয়ে জানিয়ে পরে ১ মে হাজিরা দেন সিজিও কমপ্লেক্সে। ওই দিন ৯ ঘণ্টা ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ চলে। সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুজিত বলেন, “সকলেই জানেন কেন আমায় ডাকা হয়েছিল। যে বিষয়ে আমায় ডাকা হয়েছিল, সেই মামলায় সিবিআই ইতিমধ্যে চূড়ান্ত চার্জশিট দিয়ে দিয়েছে। ইডির তরফ থেকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা হয়েছিল আমায়। আমি তদন্তে সব সময় সহযোগিতা করব। আবার ডাকলে আবার আসব।”

    দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন উপ-পুরপ্রধান হিসেবে থাকাকালীন ওই পুরসভার নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তাঁকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। মধ্যমগ্রাম পুরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালীন তাঁর সময়ে হওয়া নিয়োগের বিষয়ে তথ্য জানতেই তলব করেছিল তাঁকে। 
  • Link to this news (আজকাল)