• 'মোসাহেব হতে হবে না,' প্রথম বৈঠকেই সচিবদের পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়ে দিলেন শুভেন্দু
    আজ তক | ১২ মে ২০২৬
  • মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর সোমবার প্রথমবার নবান্নে পা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের পাশাপাশি সচিবদের সঙ্গেও বৈঠক করেন শুভেন্দু। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালাও।  ছিলেন স্বরাষ্ট্রসচিব সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ।  এছাড়াও ছিলেন সব দফতরের সচিবরা। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী সকল দফতরের সচিবদের স্বচ্ছভাবে কাজ করতে ও সিদ্ধান্ত নিতে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছেন। শুভেন্দু বলেন, 'শুধু হ্যাঁ-তে হ্যাঁ মেলানোর দরকার নেই, যা করা প্রয়োজন তাই করুন।'

    প্রসঙ্গত, এদিন প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকের পরেই  মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এক গুচ্ছ ঘোষণা করেছেন। তিনি বার্তা দিয়েছেন, সুশাসন, সুরক্ষা ও জবল ইঞ্জিন সরকারের পথে এগোবে এই সরকার। সব বর্ণ, ধর্ম নির্বিশেষে সরকার পরিচালিত হবে। পার্টিতন্ত্রের বদলে সংবিধানপ্রণেতা বি আর অম্বেদকরের মতাদর্শে ‘ফর দ্য পিপল, অব দ্য পিপল, বাই দ্য পিপল’ সরকার হবে। সেই সঙ্গে তাঁর বার্তা, চালু থাকা কোনও সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্প বন্ধ হবে না। তবে তাতে কোনও মৃত ব্যক্তির নাম থাকতে পারে না। ২০১৫ সালের পরে কোনও সরকারি চাকরিতে নিয়োগ হয়নি। তাই চাকরিপ্রার্থীদের বয়সের ঊর্ধ্বসীমা ৫ বছর বাড়ানোর ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু।

     বৈঠক শেষে শুভেন্দু পাঁচ মন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়েই সাংবাদিক বৈঠক করে, স্পষ্ট কয়েকটি পয়েন্ট তুলে ধরেন। তাতে এক প্রকার স্পষ্ট, পুরনো সরকারের যেসব খামতির দিকে আঙুল তুলে, সুর চড়িয়ে, ক্ষমতায় এসেছেন, একেবারে শুরু থেকেই, সেদিকে নজর দিচ্ছেন তিনি। একদিকে যেমন প্রথম বৈঠকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সীমান্ত সুরক্ষা প্রসঙ্গে, তেমনই সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের বয়স নিয়েও বিরাট বার্তা দিয়েছেন তিনি।

    প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত নিল শুভেন্দু ক্যাবিনেট-

    শুভেন্দু জানিয়ে দিয়েছেন, রাজ্যবাসী আগে যে সব সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা পেতেন, এখনও তা পাবেন। তবে কারা পাবেন, তা-ও স্পষ্ট করে দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি জানান, মৃত বা ভারতীয় নন, এমন কেউ এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।
  • Link to this news (আজ তক)