সোমবার দুপুরে বেশ কয়েক জনকে সঙ্গে নিয়েশক্তিপুর থানার বেলডাঙা-২ পঞ্চায়েত সমিতির কার্যালয়ে ঢুকে পড়েন হুমায়ুন। তাঁরসরাসরি অভিযোগ, তৃণমূলপরিচালিত এই পঞ্চায়েত সমিতিতে সরকারি প্রকল্পের কাজে বেনিয়ম হয়েছে। বিধায়কের দাবি, “দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে প্রায় ২৮ কোটিটাকার দুর্নীতি হয়েছে। রেজিনগর বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী আতাউর রহমানের নেতৃত্বেএই লুটতরাজ চলেছে।” ওইপঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রী বিউটি বেগম আতাউরের স্ত্রী। হুমায়ুনের হুঁশিয়ারি, “যত ক্ষণ না এই দুর্নীতির পূর্ণাঙ্গতদন্ত হচ্ছে, ততক্ষণ কোনও টাকা দেওয়া যাবে না।”
পঞ্চায়েত সমিতির পাশাপাশি, সোমবার ভূমি এবং ভূমি সংস্কার দফতরেরভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন হুমায়ুন। তাঁর অভিযোগ, বিএলআরও দফতরে লাগামহীন দুর্নীতি চলছেএবং প্রশাসনের মদতেই এলাকায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে মাটি মাফিয়া চক্র। এই বিষয়ে আলোচনারজন্য বিএলআরও-র সঙ্গে বৈঠকও করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, নির্বাচনের ঠিক আগে জলাজমি ভরাট করে হুমায়ুনের বসতবাড়ি তৈরি করারঅভিযোগে তাঁর স্ত্রীকে শো কজ় করেছিল রাজ্যের ভূমি দফতর। সেই নিয়ে ভোটের আগেবিপাকে পড়েছিলেন হুমায়ুন। জল্পনা,ভোটে জিতে তাই পঞ্চায়েত এবং ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের বিরুদ্ধেক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন তিনি। যদিও সদ্য নির্বাচিত বিধায়কের দাবি, জনস্বার্থেই এই প্রতিবাদ তিনি করেছেন।