নবান্নে শুভেন্দুকে গার্ড অব অনার, প্রথম বৈঠকের মেনুতে ফিশ ফ্রাই-চিকেন স্যান্ডউইচ
বর্তমান | ১২ মে ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সকাল সাড়ে ১১টা। নবান্নে পৌঁছালেন রাজ্যের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে নবান্নের অলিন্দে গার্ড অব অনারের মাধ্যমে স্বাগত জানায় পুলিশ। নবান্নের করিডর এদিন মুড়ে ফেলা হয় লাল কার্পেটে। সেটি পেরিয়েই নবান্নে প্রবেশ করেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁকে স্বাগত জানাতে নবান্নের গ্লাস গেটে সকাল থেকেই অপেক্ষা করছিলেন বহু আধিকারিক। তাঁদের ‘স্বাগতম’ ধ্বনিতে উচ্ছ্বসিত শুভেন্দু সকলকে প্রণাম জানিয়ে ভিআইপি লিফট ধরেন। এদিন মুখ্যমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার দেন কলকাতা পুলিশের সশস্ত্র বাহিনীর আধিকারিকরা।
নবান্নের ১৩ এবং ১৪ তলা ছাড়াও নবান্ন সভাঘরেও এদিন বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্ন সভাঘরে বসেছিল জয়ী বিজেপি প্রার্থী এবং পদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক। এদিন নিরামিষ পদের পাশাপাশি আমিষ পদও পরিবেশ করা হল বিজেপি সরকারের প্রথম দিনের বৈঠকে। এদিন বিকেল ৪টে থেকে বৈঠক থাকলেও দুপুর আড়াইটের পর থেকেই নবান্ন সভাঘরে আসতে শুরু করেন নির্বাচনে জয়ীরা। এদিনের মেনুতে ছিল চিকেন স্যান্ডুইচ, ফিশফ্রাই, লস্যি, নানা রকমের মিষ্টি। তবে যাঁরা নিরামিষ খান তাঁদের জন্য ছিল পনিরের চপ, ভেজিটেবিল চপ প্রভৃতি। ছিল আমপান্না, লস্যি, চা এবং কফি।
এদিন নবান্নে পৌঁছেই একের পর এক বৈঠক করতে শুরু করেন শুভেন্দু। ১৪ তলার অফিসে শুরুতেই বৈঠক করেন মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, ডিজি এবং কলকাতার নগরপালের সঙ্গে। এদিন শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেই নবান্নে প্রবেশ করেন আরো পাঁচ মন্ত্রী—দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, ক্ষুদিরাম টুডু, অশোক কীর্তনীয়া এবং নিশীথ প্রামাণিক। পালাবদলের পরে রাজ্য সরকারের প্রধান কার্যালয়ে প্রবেশ করে আবেগঘন হয়ে যেতে দেখা যায় মন্ত্রীদের। এদিন নবান্ন চত্বর মুড়ে ফেলা হয় নিশ্ছিদ্র সুরক্ষার বেষ্টনীতে। মোতায়েন ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীও। এদিন রাজ্যের আধিকারিকদের মধ্যেও উৎসাহ ছিল লক্ষণীয়।