• মারধর-ভাঙচুর চলছেই
    আনন্দবাজার | ১২ মে ২০২৬
  • দাঁড়ি পড়ছে না হিংসায়। নদিয়ার কালীগঞ্জের শেরপুর গ্রামে মারপিটে আহত হয়ে সোমবার মৃত্যু হয়েছে আজিম খান (২৫) নামে যুবকের। তিনি বিজেপি করায় তৃণমূল মারধর করেছে বলে পরিবারের দাবি। যদিও তৃণমূলের দাবি, স্থানীয় মারপিটে রাজনৈতিক রং চড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে।

    এ দিকে, পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি পুরসভায় ১৭-৪ সমীকরণে ক্ষমতায় রয়েছে তৃণমূল। সোমবার সকালে দলের পুর-প্রতিনিধিদের নিয়ে পুরসভার আধিকারিকদের সঙ্গে স্থানীয় বিজেপি সাংসদ, নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সৌমেন্দু অধিকারী বৈঠক করলে উত্তেজনা ছড়ায়। উপপুরপ্রধানের ঘরে বৈঠকে বসেন সাংসদ। সে ঘরের জানলায় ততক্ষণে লাগানো হয়েছে গেরুয়া পর্দা। পুরপ্রধান সুপ্রকাশ গিরি এবং উপপুরপ্রধান নিরঞ্জন মান্না, তখন পুরসভায় ছিলেন না। সৌমেন্দুর দাবি, ‘‘চেয়ারম্যান পুরসভায় আসেন না। মানুষ পরিষেবা পাচ্ছেন না। তাই বৈঠক করলাম।’’ সুপ্রকাশের দাবি, ‘‘মানুষ পরিষেবা ঠিকই পাচ্ছেন। তবে এলাকার সাংসদ হিসেবে উনি পুরসভায় আসতেই পারেন।’’

    বীরভূমে জেলা সভাধিপতি কাজল শেখের অফিসেও তাঁর চেয়ারের উপরে ঝোলানো হয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর ছবি। লাগানো হয় ভারতমাতা ও প্রধানমন্ত্রীর ছবিও।

    বিভিন্ন জায়গায় হামলাও হয়েছে। বনগাঁর খয়রামারির ভূপেন্দ্রনাথ শেঠ শ্মশানে পুরসভার অফিসে রবিবার রাতে এক দল যুবক ঢুকে ভাঙচুর চালায় ও শ্মশানের কর্মী-সহ পুরোহিতকে মারধর করে বলে অভিযোগ। কলমবাগানে তৃণমূলকর্মী সুজয় বিশ্বাসের বাড়িতেও ভাঙচুর চলে। তৃণমূলের দাবি, বিজেপির দুষ্কৃতীরাই এই কাজ করেছে। বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়ক তথা মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়ার বক্তব্য, “পুলিশকে পদক্ষেপ করতে বলেছি।”
  • Link to this news (আনন্দবাজার)