আজকাল ওয়েবডেস্ক: গ্রেপ্তার আনন্দপুর এলাকার এক তৃণমূল নেতা এবং তার সঙ্গী। ধৃত তৃণমূল নেতার নাম নারায়ণ রঞ্জিত ও গোপাল মল্লিক। ধৃত দু'জনের বিরুদ্ধেই এলাকায় তোলাবাজি এবং সিন্ডিকেট চালানোর অভিযোগ রয়েছে। জানা গিয়েছে, কলকাতা পুরসভার পুরপিতা সুশান্ত ঘোষের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এই নারায়ণ।
নারায়ণ রঞ্জিত এবং তার সহযোগী গোপাল মল্লিককে মঙ্গলবার দুপুরে ওড়িশার জাজপুরে থেকে গ্রেপ্তার করে আনন্দপুর থানায় পুলিশ। তাকে কলকাতায় নিয়ে আসা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গত সপ্তাহে আনন্দপুর পূর্ব পাড়ায় নারায়ণ রঞ্জিতের বাড়ি থেকে দু'টি ৯ মিমি পিস্তল, দু'টি ম্যাগাজিন এবং ২০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছিল। তারপর থেকেই পালিয়ে ছিলেন অভিযুক্ত। মঙ্গলবার খবর পেয়ে পুলিশ নারায়ণ এবং তার সঙ্গীকে গ্রেপ্তার করে। সেগুলি উদ্ধারের পর নারায়ণ ওড়িশায় পালিয়ে গিয়েছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ তাঁর অবস্থান শনাক্ত করে এবং সেখান থেকেই তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
বিজেপি ক্ষমতায় এলে সিন্ডিকেটকে উল্টো করে ঝুলিয়ে দেওয়া হবে। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের আগে বাংলার প্রচারে এসে এমনই হুঙ্কার দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ক্ষমতায় এসেই শাহের কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বাংলা থেকে সিন্ডিকেট রাজ বন্ধ করতে প্রথম কড়া পদক্ষেপ করলেন তিনি। সোমবার বিধায়ক ও জেলাশাসকদের বৈঠকে শুভেন্দু স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, রাজ্যকে দুর্নীতিমুক্ত করে তুলতে হবে। কোনও দুর্নীতিকেই বরদাস্ত করা হবে না। সেই লক্ষ্যেই প্রথম প্রশাসনিক বৈঠকেই একাধিক নির্দেশ দেন শুভেন্দু।
তৃণমূলের আমলে সিন্ডিকেটরাজ নিয়ে বারবার অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি। ক্ষমতায় এসে প্রথমেই সিন্ডিকেটকে উপড়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জেলাশাসক ও বিধায়কদের বৈঠকে তাঁর নির্দেশ, এলাকায় এলাকায় সিন্ডিকেট রাজ বন্ধ করতে হবে।