• বেআইনি মাদ্রাসা থাকলেই বন্ধ করব, হুঁঁশিয়ারি রাজ্যের মন্ত্রীর
    এই সময় | ১৩ মে ২০২৬
  • তৃণমূল আমলে তফসিলি শংসাপত্র নিয়ে ‘ব্যাপক দুর্নীতি’ হয়েছে বলে আগেই অভিযোগ তুলেছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার সদস্য ক্ষুদিরাম টুডু। সেই সব ‘ভুয়ো শংসাপত্র’ বাতিলের কথা বলে এ বার তাঁর হুঁশিয়ারি, রাজ্যে বেআইনি মাদ্রাসা থাকলেই তা বন্ধ করে দেওয়া হবে।

    পেশায় শিক্ষক ক্ষুদিরাম তৃতীয় বার বিজেপির প্রার্থী হয়ে বাঁকুড়ার রানিবাঁধ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জিতেছেন। তাঁর চার দপ্তর দেওয়া হয়েছে। সেগুলি হলো— আদিবাসী উন্নয়ন, অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ, সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা। মঙ্গলবার বর্ধমানে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ক্ষুদিরাম বলেন, ‘চারটি দপ্তর দেওয়া হয়েছে আমাকে। তৃণমূল সরকার মুড়ি-মুড়কির মতো তফসিলি জনজাতি শংসাপত্র বিলি করেছে দুয়ারে সরকারে। যাঁরা জনজাতি নন, তাঁদেরও এই গোষ্ঠীর মধ্যে যুক্ত করা হয়েছে। এই সব ভুয়ো শংসাপত্র বাতিল করব আমরা।’

    ক্ষুদিরাম জানান, তিনি সংখ্যালঘুদের উন্নয়নের জন্যেও কাজ কাজ করবেন। পাশাপাশিই তিনি জানান, বেআইনি মাদ্রাসা এই সরকার বরদাস্ত করবে না। এ রকম মাদ্রাসা রাজ্যে থেকে থাকলে, তা বন্ধ করে দেওয়া হবে। ভবিষ্যতে যাতে বেআইনি মাদ্রাসা তৈরি না হয়, সে ব্যাপারেও সতর্ক থাকা হবে।

    বর্ধমান বাণীপীঠ স্কুলে শিক্ষকতা করতেন ক্ষুদিরাম। কর্মসূত্রে বর্ধমান শহরের খাঁপুকুর এলাকায় একটি বাড়িভাড়া করে থাকেন। স্ত্রী এবং এক কন্যা নিয়ে ছোট সংসার। স্ত্রী মালতী টুডু হেমব্রম পেশায় আশাকর্মী। মেয়ে চন্দ্রাণী টুডু নিট পরীক্ষা দিয়েছেন। শপথগ্রহণের পরপরই ক্ষুদিরাম জানিয়েছিলেন, নিজের বিধানসভা এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষাক্ষেত্রে রাজ্যের সুনাম ফিরিয়ে আনা এবং পিছিয়ে পড়া সমাজের উন্নয়নে কাজ করাই হবে তাঁর মূল লক্ষ্য। ভুয়ো শংসাপত্রের ভিত্তিতে যাঁরা সরকারি সুবিধা ভোগ করছেন, তাঁদের সুবিধা বাতিল করা হবে বলে জানিয়েছেন ক্ষুদিরাম। তিনি বলেন, ‘শুধু দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই নয়, আদিবাসী সমাজের উন্নয়ন হবে অন্যতম লক্ষ্য।’

  • Link to this news (এই সময়)