মিল্টন সেন, হুগলি: স্ত্রীকে বাইকে চাপিয়েছেন এই সন্দেহে ধারালো কাটারি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপ প্রৌঢ়ের। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন আক্রান্ত। পোলবা থানার কামদেবপুরে ২০১৮ সালে ১৭ জানুয়ারিতে এই ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার অভিযুক্তকে চুঁচুড়া আদালত দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিল। জানা গিয়েছে ঘটনার দিন সুগন্ধা পঞ্চায়েতের যাদবপুর গ্রামের বাসিন্দা অরুণ দাস মোটর বাইক নিয়ে কামদেবপুর থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। কামদেবপুর গ্রামে একটি মিষ্টির দোকানে সিঙ্গারা ও রসগোল্লা কেনেন।
কামদেবপুর গ্রামেরই বাসিন্দা প্রৌঢ় নিরাপদ দাস এসে তাকে ধরেন। তার স্ত্রীকে বাইকে চাপিয়েছেন কেন জিজ্ঞাসা করেন নিরাপদ। এই নিয়ে বচসা শুরু হয়। হঠাৎ ব্যাগ থেকে কাটারি বের করে কোপ মারতে থাকে প্রৌঢ়। রাস্তায় পড়ে যান অরুন দাস। ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান অভিযুক্ত। পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রামবাসীরা আক্রান্তকে উদ্ধার করে চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে দীর্ঘদিন চিকিৎসা হয় অরুনের। পরে তাকে কলকাতার হাসপাতালেও চিকিৎসা চলে তার। তবে শেষে তিনি প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন। অরুন দাসের স্ত্রী পোলবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। সেই মামলা চুঁচুড়া আদালতের ফাস্ট ট্রাক ফার্স্ট কোর্টে বিচার চলে। মঙ্গলবার দোষী নিরাপদ দাসকে দশ বছরের সশ্রম কারাদন্ডের সাজা শোনান বিচারক পিযূষকান্তি রায়। দোষীর যাবজ্জীবন সাজা চেয়েছিলেন অরুন দাসের পরিবার। তবে মামলায় যে রায় হয়েছে তাতে তারা খুশি।