বিশ্বদেব ভট্টাচার্য, আসানসোল
বিপুল সংখ্যক পদ ফাঁকা রেখেই রেলে কর্মী সঙ্কোচনের পথে হাঁটছে কেন্দ্রীয় সরকার। চলতি অর্থবর্ষে ভারতীয় রেলের বিভিন্ন আঞ্চলিক দপ্তর ও কারখানা থেকে প্রায় ৩০ হাজার পদ সারেন্ডার বা রিডিস্ট্রিবিউশনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সারেন্ডার-এর অর্থ, সেই পদগুলির বিলোপ ঘটানো হবে। রিডিস্ট্রিবিউশন-এর অর্থ, সেই পদগুলি রেলের বিভিন্ন দপ্তর ও কারখানায় স্থানান্তরিত করা হবে। এই নির্দেশের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে বিজেপির রেলকর্মী সংগঠন ভারতীয় রেল মজদুর সঙ্ঘ। কংগ্রেসের রেলকর্মী সংগঠন এনএফআইআর জানিয়েছে, আজ সোমবার ক্যাবিনেট সচিব এবং রেল বোর্ডের চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলে তারা সিদ্ধান্ত নেবে।
২৪ এপ্রিল রেল বোর্ডের তরফে ডিরেক্টর অমিত সিং মেহেরা চিঠি পাঠান রেলের আঞ্চলিক দপ্তর ও রেল পরিচালিত কারখানাগুলির জেনারেল ম্যানেজারদের কাছে। বলা হয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে দুই শতাংশ করে পদ সারেন্ডার বা রিডিস্ট্রিবিউশন করতে হবে। পূর্ব রেলে ১,২৭,২০৯টি পদের মধ্যে ২,৫৪৪টি, দক্ষিণ-পূর্ব রেলে ৯৮,৩৪১টি পদের মধ্যে ১,৯৬৭টি এবং চিত্তরঞ্জন রেল কারখানায় ১০,৭০৩ টি পদের মধ্যে ১৪টি পদ এই নির্দেশের আওতায় পড়ছে। সবচেয়ে বেশি পদের জন্য চিহ্নিত হয়েছে উত্তর রেলে, ১, ৬৫,১৫০টির মধ্যে ৩৩০৩টি।
ভারতীয় রেল মজদুর সঙ্ঘের মহাসচিব সন্তোষ কুমার প্যাটেল রেল বোর্ডের চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, এই বিপুল সংখ্যক পদ সারেন্ডার বা রিডিস্ট্রিবিউশনের পথে না-গিয়ে ফাঁকা পদগুলি অবিলম্বে পূরণ হোক। সংগঠনের নেতা এবং চিত্তরঞ্জন রেল কারখানার কর্মী কৃষ্ণমুরারি পান্ডে বলেন, 'রেলের এই নীতি প্রত্যাহারের দাবিতে ১৫ থেকে ২৯ মে পর্যন্ত বিভিন্ন