• ক্রমশই আগ্রহ হারাচ্ছে দুই প্রধানের ইনভেস্টর
    বর্তমান | ১৩ মে ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইনভেস্টমেন্ট আছে। রিটার্ন নেই। ভারতীয় ফুটবলে এটাই সারসত্য। এমন পরিস্থিতিতে উদ্বেগের মেঘ ময়দানেও। দল গড়তে এমনিতেই হাতি পোষার খরচ। শোনা যাচ্ছে, কোনোমতেই আর টাকার থলি জলে ফেলতে নারাজ কর্পোরেট কোম্পানিগুলি। কলকাতার দুই প্রধানের ভবিষ্যৎ কতটা সুরক্ষিত? এখানেই আসল টুইস্ট। চাঞ্চল্যকর তথ্যে সরগরম ময়দান। শোনা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই নিঃশব্দে নিজেদের মধ্যে বৈঠক সেরেছেন দুই প্রধানের ইনভেস্টর কর্তারা। মরশুম শেষে তারা হাত গুটিয়ে নিলেও অবাক হওয়ার থাকবে না। ইস্ট বেঙ্গলের ইনভেস্টর ইমামি গ্রুপ। এমনিতেই ফুটবল চালাতে বিশেষ উৎসাহী নয় তারা। সরকার বদলের পর ঘাড় থেকে দায় নামাতে পারলেই যেন বাঁচে। বছরে ৪০-৫০ কোটি টাকা লোকসানের বোঝা বইতে নারাজ লগ্নিকারী সংস্থা। অতীতে ফুটবলের দুদর্শায় মুখ ফিরিয়েছে একাধিক ক্লাব। জেসিটি থেকে মুম্বই এফসি— তালিকা বেশ লম্বা। এখন আইএসএলের বেশ কিছু দলের হালও করুণ। টিম চালাতে হিমশিম খাচ্ছে মহমেডান স্পোর্টিং। ওড়িশা, চেন্নাইয়ানের মতো ফ্র্যাঞ্চাইজিরও একই দশা। এমন পরিস্থিতিতে আগামী ২৩ মে কলকাতায় ফেডারেশনের স্পেশাল জেনারেল মিটিং। কমার্শিয়াল পার্টনার বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ওই দিনই শিলমোহর পড়তে পারে। ইতিমধ্যেই জিনিয়াস স্পোর্টসের সঙ্গে অনেকদূর কথা এগিয়েছে ফেডারেশন। কিন্তু এফএসডিএল ঘনিষ্ঠ একাধিক ক্লাব গোটা প্রক্রিয়ায় অসন্তুষ্ট। নতুনভাবে বিড করার জন্য ফেডারেশনকে চিঠিও দিয়েছিল ক্লাবজোট। সঞ্জীব গোয়েঙ্কা বরাবরের ক্রীড়াপ্রেমী। এক্ষেত্রে তিনি পাশে পেয়েছিলেন আদিত্য আগরওয়াল, ভিতা দানি, জন আব্রাহামদের। কিন্তু তাঁদের চিঠিতেও চিড়ে ভেজেনি। মরা গাঙে জোয়ার আনার কোনো ফর্মুলা নেই ফেডারেশনের কাছে। এমন অবস্থায় মরশুম শেষের আগে কলকাতার ফুটবল আকাশেও জমছে আশঙ্কার মেঘ।
    এদিকে, রবিবার হাইভোল্টেজ ডার্বির আগে বড় ধাক্কা খেল ইস্ট বেঙ্গল। সূত্রের খবর, পেশীর চোটের কারণে গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার সাউল ক্রেসপো বড় ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন। পাঞ্জাব ম্যাচের আগে দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছিলেন সাউল। হাজির ছিলেন টিম মিটিংয়েও। কিন্তু ম্যাচের ঠিক আগে ছিটকে যান তিনি। ফলে শেষ মুহূর্তে যাবতীয় পরিকল্পনা বদলাতে হয় অস্কারকে।
  • Link to this news (বর্তমান)